টেকনিক্যাল কলেজে ভাংচুর ও অধ্যক্ষকে আহত করার ঘটনায় মামলা

0
123

সিলেটের সংবাদ ডট কম : দক্ষিণ সুরমায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে ভাংচুর এবং অধ্যক্ষকে আহত করার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। সিলেট টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ ছাইদুর রহমান বাদি হয়ে ৮ শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ২০/২৫ জনকে আসামী করে সরকারী সম্পত্তির ২ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ দাবী করে দক্ষিণ সুরমা থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। নং- ২৪ (২৯-০৬-১৪)। মামলার আসামীরা হচ্ছে- বড়ইকান্দি গাংগুার মোঃ বাবুল মিয়ার পুত্র নাসির আহমেদ (২০), একই ইউনিয়নের কাজিরখলা গ্রামের মোঃ আজিজ মিয়ার পুত্র মোঃ রাহেল আহমদ (২০), ট্রেড-অটোমোবাইলের শিক্ষার্থী কয়েছ (২০), ট্রেড-আরটিভির কাজী খায়রুল ইসলাম (১৯), ট্রেড-আরএসির সামাদ (১৮), আব্দুল্লাহ আল মিজান (১৮), ট্রেড-মেশিনিস্টের খালেদ সাইফুল্লাহ (১৮) ও ট্রেড- ইলেকট্রিক্যাল জহিরুল হক (১৯)। মামলা সূত্রে জানা গেছে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ২০১৪ সনের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরিক্ষায় সিলেট টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের উর্ত্তীণ সকল ছাত্র/ছাত্রীদের কলেজ শাখায় মেধা ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ ৩০ জন করে প্রতি শাখায় ভর্তির সুযোগ রয়েছে। কিন্তু স্থানীয় অধিবাসী ছাত্র/ছাত্রীরা অন্যায়ভাবে আবদার জানায় স্থানীয়দের নিয়মবহিভূতভাবে ভর্তির সুযোগ দিতে। তাদের এ দাবীর সাথে সম্মতি জ্ঞাপন করার মত কোন সুযোগ কলেজ কর্তৃপক্ষের না থাকায় তারা গত ২৩ জুন সকাল ১১ টা ৪৫ মিনিটে উল্লেখিত অছাত্র ও ছাত্ররা দা, লাটি, রড, ইট ও পাথর নিয়ে দলবদ্ধ হয়ে কলেজে হামলা চালায়। এ সময় তারা অটোমোবাইল ওয়ার্কশব, ফার্ম ওয়ার্কশব, ওয়েল্ডিং ওয়ার্কশব, একাডেমীক ২ নং ভবনের দরজা জানালার কাঁচ ভাংচুর করে। তখন অধ্যক্ষসহ স্কুল কলেজের শিক্ষক ও স্টাফদের খুন- জখম এবং কলেজের কার্যক্রম বদ্ধ করে দেয়ার হুমকী দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ জুন দুপুর ১২ টা ১০ মিনিটের সময় ছাত্র ও অছাত্ররা একইভাবে অফিসকক্ষসহ একাডেমীক ৩ নং ভবনের কর্মচারীদের আবাসিক কোয়ার্টার, অধ্যক্ষের অফিসকক্ষ সংলগ্ন কলেজের মসজিদে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। এ সময় তারা অধ্যক্ষে অফিসকক্ষ লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করে কক্ষের জানালার কাঁচ ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে তার বাম হাতের আঘাতে লাগলে তিনি আহত হন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের ভর্তির মেধা তালিকা প্রকাশ করা হলে দেশের সবকটি পলিটেকনিকে কেন্দ্রীয়ভাবে একযোগে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং কেন্দ্র থেকে প্রেরিত তালিকা অনুযায়ী সিলেটসহ বিভিন্ন পলিটেকনিকে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। স্থানীয়ভাবে এসব প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ভর্তির কোন সুযোগ নেই। শনিবার মেধা তালিকা প্রকাশের পর সিলেট পলিটেকনিক ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা নিজেদের পছন্দের একটি তালিকা নিয়ে অধ্যক্ষের কাছে যায়। অধ্যক্ষ তার অপারগতার বিষয়টি জানালে ছাত্রলীগ কর্মীরা ক্যাম্পাসে ভাংচুর চালাতে থাকে। তারা কয়েকটি দরজা-জানালা ক্ষতিগ্রস্ত  করে।

(Visited 4 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here