ভাঙ্গাড়ি ব্যবসায়ী শামসুল হত্যায় একই পরিবারের ৬ আসামী : মা-ছেলে জেলে

0
42

সিলেটের সংবাদ ডট কম: সিলেট নগরীর কুয়ারপাড়ে ভাঙ্গাড়ি ব্যবসায়ী শামসুল ইসলাম খুনের ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। শামসুল ইসলামের ছেলে মো. মাজহারুল ইসলাম বাদি হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ্য করে কোতোয়ালী থানায় এ মামলাটি (নং-১২) দায়ের করেন। এই ৬ জন একই পরিবারের সদস্য। এই ঘটনায় আটক মা ও ছেলেকে সোমবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার আসামীরা হচ্ছেন ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া থানার নয়নবাড়ির নুরুল আমিনের পুত্র আজিজুল হক আরজু (৩২) তার ভাই জিয়া (২৫), এনাম (৩৫) ও সুজন (২০) তাদের পিতা নুরুল আমিন (৬০) তার স্ত্রী হাজেরা বেগম (৪৬)। বর্তমানে তারা নগরীর কুয়ারপাড়ের দেওয়ান ফেরদৌস চৌধুরীর ১২৮ নম্বর বাসার ভাড়াটে। এদিকে, পুলিশ দুপুরে নিহত শামসুল ইসলামের লাশ তার আত্মীয় স্বজনের কাছে হস্তান্তর করেছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর আটক আরজুর তথ্যমতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাকু নুরুল আমিনের দোকান হতে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার মুল রহস্য উদঘাটন ও অপরাপর আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান। উল্লেখ্য, রোববার ইফতারের আগে শামসুল ইসলাম (৬০) কুয়ারপাড়স্থ মালিকের বাসার টিউবওয়েল থেকে পানি আনতে যান। এ সময় কে আগে পানি আনবেন এই নিয়ে প্রতিবেশী আরজু মিয়ার সাথে তার ঝগড়া হয়। বিষয়টি ইফতারের পরে সমাধান করে দেওয়ার আশ্বাস দেন বাসার মালিক দেওয়ান ফেরদৌস চৌধুরী। কিন্তু মাগরিবের নামাজ শেষে মসজিদ থেকে ফেরার পথে আরজু ছুরিকাঘাত করে শামসুল ইসলামকে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় শামসুল ইসলামকে ওসমানী হাসপাতালের ৪র্থ তলার ৫নং ওয়ার্ডে ভর্তি করার ৫ মিনিট পর তিনি মারা যান। নিহত শামসুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ জেলার মিটামইন থানার কাঞ্চনপুর গ্রামের মৃত আকবর হোসেনের ছেলে। ঘটনার পর পর স্থানীয় জনতা একই বাসার আজিজুল ইসলাম ও তার মা হাজেরাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

(Visited 3 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here