সিলেট জেলা পুলিশের উন্নয়ন কার্যক্রম

0
101

সিলেটের সংবাদ ডট কম: সিলেট জেলা পুলিশের প্রায় কোটি টাকার উন্নয়ন কার্যক্রম হয়েছে। পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে শুরু করে পুলিশ লাইনন্স পর্যন্ত এসব উন্নয়ন হয়েছে। ফুল বাগান  ও বৃক্ষপ্রেম সবকিছুই রয়েছে সিলেট জেলা পুলিশের মধ্যে। পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা পিপিএম-এর পরিকল্পনা ও ঐকান্তিক চেষ্টায় থানার ওসিসহ অন্যদের সহযোগিতায় ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ লাইনে প্রায় ৬০ লাখ টাকা ব্যায়ে নির্মাণ করা হয়েছে ড্রিলসেড। পুবালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হাফিজ আহমদ মজুমদার এতে ৩০ লাখ টাকা দিয়ে সহায়তা করেছেন। উন্নয়ন কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে, পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রবেশের পরই ফুলের বাগান ও বকুল তলা। নির্মাণ করা হয়েছে গোল ঘর। এরপর মূল ভবনে ঢুকতেই নারী-পুরুষ সম্বলিত স্যালুটিংসহ স্বাগতম ডায়েস। জনগণকে সম্মান জানিয়েই তৈরি করা হয়েছে এ ডায়েস। এরপর দু’তলায় পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে শোভা পাচ্ছে ব্যতিক্রমি মনোগ্রাম। দেয়ালের উপর প্রতিটি রেঞ্জ ও বিভিন্ন মেট্রোপলিটন পুলিশের এবং আইনশৃংখলা বাহিনীর অন্যান্য সংস্থার মনোগ্রাম যে কারো নজর কাড়ার মতো। এছাড়া এবারই প্রথম এ কার্যালয়ের নিচতলায় কক্ষ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এতে সহজেই আগতরা প্রয়োজনীয় কর্মকর্তার কাছে যেতে পারছেন। সংস্কার করা হয়েছে আগতদের বসার জন্য দুইটি অপেক্ষাগার। এছাড়া জেলা পুলিশ লাইনের প্রবেশ মুখেই নির্মিত হয়েছে একটি গোলঘর। যেখানে আগত অতিথিরা বসতে পারেন। এছাড়া আগের নির্মিত একটি গোলঘরও সংস্কার করা হয়েছে। লাইনের ভেতরে অবসরপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা পুলিশের জন্যও নির্মাণ করা হয়েছে আরেকটি গোলঘর। পূর্বে তারা রেশন বা অন্যান্য কাজে আসলে দাঁড়িয়ে থাকতে হতো। এ গোলঘর নির্মাণের ফলে তাঁরা বসার সুযোগ পেয়েছেন। সংস্কার করা হয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে স্মৃতিস্তম্ভ। এছাড়া ফোর্সদের প্যারেড, কল্যাণ সভা, মাসিক সভাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য পুলিশ সুপারের উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে ড্রিলসেড। এ সেড নির্মাণে প্রায় ৬০ টাকার মধ্যে পূবালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হাফিজ আহমেদ মজুমদার ৩০ লাখ টাকা দিয়ে সহায়তা করেন। অতীতে ড্রিলসেড না থাকায় নানা অনুষ্ঠানে ডেকোরেটার্স ব্যবহার করা হতো। এ সেড নির্মাণে পুলিশের টাকার সাশ্রয় হবে। তাছাড়া আরো নির্মাণ হয়েছে এমটি সেকশনের পেছনে সরকারী গাড়ি পানি দিয়ে পরিস্কার করার র‌্যাম। ফোর্সদের ব্যবহারের স্বার্থে বৃক্ষরোপন কার্যক্রম হিসেবে ফলজ, বনজ গাছ রোপন করা হয়েছে। এতে শোভাবর্ধনসহ পরিবেশও সুন্দর হয়েছে।

(Visited 6 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here