কি পড়বেন বৈশাখে

0
1264

2 (2)সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: অলংকার ছাড়া নারীর সাজ যেন অপূর্ণ রয়ে যায়। আর সেই সাজ যদি হয় বিশেষ কোনো উপলক্ষে, তাহলে দিনটিই মাটি হয়ে যায়। পহেলা বৈশাখের সাজে অলংকারের উপস্থিতি অপরিহার্য। অলংকার ছাড়া নববর্ষের বাঙালিয়ানা পূর্ণতা পায় না। তাই বৈশাখী সাজে অলংকার নির্বাচন করাও একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। দেখতে ভালো লাগার পাশাপাশি অলংকারের মানানসই বা সামঞ্জস্যতা এবং ব্যবহারের স্বস্তির বিষয়টাও মাথায় রাখা উচিত। পহেলা বৈশাখের পোশাক হিসেবে প্রায় সবারই প্রথম পছন্দ থাকে তাঁতের শাড়ি। ঐতিহ্যবাহী সাদা শাড়ি লাল পাড় তো বটেই, অন্যান্য রঙের শাড়িও পহেলা বৈশাখে পরা হয়। পরনে যখন তাঁতের শাড়ি তখন বেছে নিতে পারেন মাটির অলংকার। শাড়ির রঙের সাথে মিলিয়ে পরতে পারেন রঙিন মাটির অলংকার। মাটির কানের দুলের সাথে পরতে পারেন মাটির পুঁতি দিয়ে তৈরি লম্বা মালা। নেকলেস ধরনের মালার পরিবর্তে লম্বা মালার ট্রেন্ড চলছে এখন। লম্বা মালা এক প্যাঁচে বা দুই প্যাঁচে পরতে পারেন। গরমের দিন হওয়ায় নেকলেস বা হাঁসুলির পরিবর্তে লম্বা, একছড়ার মালা বেশি স্বস্তিদায়ক হবে। তাঁতের শাড়ির সাথে পরতে পারেন কাঠ বা প্লাস্টিকের পুঁতির তৈরি মালাও। রুদ্রাক্ষের লম্বা জপমালাও পরতে পারেন মালা হিসেবে। এটা তাঁতের শাড়িকে দেবে অনবদ্য রূপ। পহেলা বৈশাখে অনেকেই ঐতিহ্যবাহী গরদের লালপাড়-সাদাশাড়ি অথবা জামদানী পরেন। বিশেষ করে রাতে যারা ঘুরতে বের হন, তাদের জন্য এসব শাড়ি আদর্শ। গরদ বা জামদানী শাড়ির সাথে পরতে পারেন রূপার অলংকার। একটু গর্জিয়াস ‘লুক’ আনতে রূপার অলংকারের তুলনা নেই। গলায় কিছু পরতে না চাইলে কানে পরে ফেলুন একটু বড় মাপের দুল এবং তা যেন অবশ্যই আপনার মুখের গড়নের সাথে মানানসই হয়। বড় কানের দুল চেহারার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে সেটা পুরো সাজই মাটি করে দিতে পারে! এক্ষেত্রে পরতে পারেন রূপার ঝুমকা। ঝুমকা মোটামুটি সবাইকেই মানায়। অ্যান্টিকের গয়না এবার বৈশাখের হাল ফ্যাশন। মাদুলি এবং হাঁসুলির পাশাপাশি মঙ্গলসূত্রের মতো দেখতে অ্যান্টিকের গলার মালা তাই পরতে পারেন অনায়াসে। অ্যান্টিকের চুড়িও বেশ চলবে এবার। শাড়ি পরা বৃথা হয়ে যাবে যদি হাতে চুড়ি না থাকে। বাঙালিয়ানা এবং নববর্ষের ঐতিহ্যের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে কাচের চুড়ি। লাল ও সাদা তো বটেই শাড়িতে ব্যবহৃত অন্যান্য রঙের সাথে মিলিয়েও পরতে পারেন হাতভর্তি কাচের চুড়ি। রূপা বা পাথর বসনো ধাতুর চুড়িও পরতে পারেন শাড়ির সাথে। এসব চুড়ি কাচের চুড়ির মাঝে মাঝে ফিলার হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। খোঁপায় ফুল তো অনেক জড়ালেন, এবার অন্যকিছু হোক আপনার খোঁপার অলংকার। যেমন, খোঁপার কাঁটা। চুল খোঁপা করে তাতে পরতে পারেন রূপার কাঁটা। পাথর বা পুঁতি বসানো কাঁটাও ব্যবহার করতে পারেন। ধাতু বা আয়নার তৈরি টার্সেল বা বান্দিবীনাও জড়াতে পারেন চুলে। যে অলংকারই পরুন না কেন, খেয়াল রাখুন কিছু বিষয়:- * গয়না যেন পোশাকের সাথে মানানসই হয়। * অস্বস্তিবোধ করেন এমন গয়না পরবেন না। * মাটির গয়না পরলে সেটার রং পাকা কিনা দেখে নিন। * ধাতুতে অ্যালার্জি থাকলে ধাতব গয়না এড়িয়ে চলুন। * দীর্ঘ সময়ের জন্য বের হলে যতটা সম্ভব কম অলংকার পরুন।

(Visited 19 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here