বিয়ানীবাজার পৌর এলাকায় জলাবদ্ধতার কারনে দুর্ভোগ

0
116

7 (1)সিলেটের সংবাদ ডটকম: বৃষ্টি হলেই হাটু পানি। বৃষ্টির মৌসুম নোংরা পানি ঘেঁটে গন্তব্য যাওয়ার কষ্টকর ছবি পত্রিকার মাধ্যমে দেখে অভ্যস্থ বিয়ানীবাজারবাসী এখন জলাবদ্ধ শহরের বাসিন্দা। অবৃষ্টি কিংবা অধিক বৃষ্টি- পৌরশহর গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো তলিয়ে যাব যানবাহন কিংবা পথচারী সব নোংরা পানি ঘেঁটে গন্তব্য যাবেন।

এ বিষয়টি এ বিয়ানীবাজার পৌরবাসীর জন্য স্বাভাবিক ঘটনা! সাধারণ মানুষ জলাবদ্ধ অংশটুকু পার হয় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আতাউর রহমান খান, পৌর প্রশাসক তফজ্জুল হোসেনসহ উপজেলার রাজনৈতিকক দলগুলোর নীতিনির্ধারক এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের গুষ্টি উদ্ধার করেন। এ প্রশ্ন সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের এ বিষয়টি দেখবে কে? দেখার কথা বিয়ানীবাজারর পৌরসভার। ২০০১ সাল থেকে পৌরসভায় উন্নীত হওয়া এ শহর বাস্তবে জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজে সঠিক পরিকল্পনা নেই বললে চলে।

সঠিক পরিকল্পনায় বছরে একেকটা এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের ব্যবস্থা নিলে পৌরবাসী এ দুভোর্গে পড়ত না বলে অভিমত জানালেন কল রোডের ব্যবসায়ী জাকির হোসন বয়স্ক তজম্মুল আলীর আক্ষেপ বিয়ানীবাজার ইউনিয়ন থাকাবস্থায় এ শহর অনেক ভালো ছিল। এখন রাস্তা দিয়ে হেটে মসজিদে যাওয়ার মনে সন্দেহ থাকে শরির পবিত্র আছতো? প্রতিনিয়ত ড্রেনের ময়লা বৃষ্টি পানির সাথে মিশে ছড়িয়ে পড়ছে সর্বত্র।

বিয়ানীবাজার থানা সম্মূখভাগ পার হওয়ার সময় আপন মনে মন্তব্য করলেন আশিকুর রহমান এ ডিজিট্যাল বাংলাদেশের নমুন দেশের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে করে স্থানীয়ভাবে অন্য প্রভাবশালীর এ শহর এভাবে দুর্ভোগ পোহাবে কে জানতো! কলেজ ছাত্র আমান উদ্দিন বলেন, ঢাকা কিংবা চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার চিত্র পত্রিকায় দেখে ওই সব এলাকারর মানুষের জন্য আমাদের করুণা হতো। তাই ভাবতে পারেনি আমাদেরও এরকম দশা হবে।

বিয়ানীবাজার থানার সম্মুখ ভাগ।মতো খাসাড়িপাড়ার মোকাম মসজিদ এলাকার রাস্তা, সরকারি কলেজ সম্মুখভাগ, চাউলগলি, শহিদ টিল পৌরসভার সম্মুখ ভাগ, উপজেলা চৌমুহনি, সুপাতলার রাস্তার সম্মুখ বেশ কিছু এলাকায় বৃষ্টি হল জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। পৌর এলাকা জলাবদ্ধতা নিরসনের দায়িত্ব যদি সেই পৌরসভার একাধিক দায়িত্বশীলদের সাথে মোবাল ফোনে সোমবার বিকাল যোগাযোগ করেও তাদের পাওয়া যায়নি।

(Visited 4 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here