প্রধানমন্ত্রীর কাছে মিসবাহ উদ্দিন সিরাজের বিরুদ্ধে অভিযোগ

0
159

2সিলেটের সংবাদ ডটকম: আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করেছেন বিশ্বনাথ আওয়ামী লীগের পদবঞ্চিত নেতারা। তারা তাদের অভিযোগে মিসবাহ সিরাজ টাকার বিনিময়ে সম্পূর্ণ অগঠনতান্ত্রিকভাবে কাউন্সিল ছাড়াই সুবিধাভোগীদের দিয়ে বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্য সফরে থাকায় ওখানে ফ্যাক্সযোগে তার কাছে অভিযোগপত্র পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা ও সভাপতি প্রার্থী ফখরুল আহমদ মতছিন। দীর্ঘ ১২ বছর পর গত ৮ই জুন বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

ওই সম্মেলনে উপজেলা কমিটির নতুন সভাপতি হয়েছেন সাবেক বিএনপি নেতা ও বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতা পংকি খান ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন গেল কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতার।

আওয়ামী লীগ নেতারা জানান, দ্বিতীয় অধিবেশনে কমিশনার মাসকু উদ্দিন ও আশফাক আহমদ যখন নির্বাচনে কাউন্সিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তখন হঠাৎ করে সেখানে উপস্থিত হন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ। তিনি কাউন্সিল অধিবেশন ছাড়াই হঠাৎ করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করেন। এ সময় উপস্থিত কাউন্সিলরদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

দলীয় প্রধানের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন বিশ্বনাথ আওয়ামীলীগের সাবেক কমিটির সভাপতি মো. মজম্মিল আলী, সভাপতি প্রার্থী আছলম খান, ফখরুল আহমদ মতছিন, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ফারুক আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক এএইচএম ফিরোজ আলী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সমর কুমার দাশ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মাস্টার ফখরউদ্দিন, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক বসারত আলী বাচা, জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. শাহনুর হোসেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ছয়ফুল হক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. আজিজুর রহমান।

অভিযোগে তারা আরও উল্লেখ করেন, ঘোষিত কমিটির সভাপতি বিএনপির শাসনামলে সাবেক এমপি এম ইলিয়াস আলীর একান্ত সহচর ছিল। তার হাতে বিশ্বনাথ আওয়ামীলীগের অনেক নেতা নির্যাতিত হয়েছেন। ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামীলীগে ঢুকে।

কিন্তু পংকি খানের নির্যাতনের কথা ভুলতে পারছেন না নির্যাতিত আওয়ামী লীগ নেতারা। পাশাপাশি গত ৭ বছর ধরে পংকি খান বিশ্বনাথের সরকারি বরাদ্দের অনেক টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। একই সঙ্গে ঘোষিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতারকে চাঁদাবাজ বলে আখ্যায়িত করেছেন পদবঞ্চিত নেতারা।

তারা বলেন, বাবুল আখতার হত্যা মামলার আসামি। তার নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী দিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। এ কারণে ঘোষিত কমিটি বাতিল করে কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানান নেতারা। এদিকে, একই ভাবে সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন আওয়ামীলীগের নেতারা। সুত্র: মানবজমিন

(Visited 3 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here