ব্যাংককে হামলার পেছনে সংঘবদ্ধ চক্র: পুলিশ

0
143

1 (2)সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: থাইল্যান্ডের পুলিশ প্রধান বলেছেন, সোমবার ব্যাংককের একটি হিন্দু মন্দিরে যে হামলায় ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে, সেটি সংঘবদ্ধ চক্রের কাজ। হলুদ টিশার্ট পরা সন্দেহভাজন এক যুবকের ছবি এঁকে প্রকাশ করা হয়েছে। নিরাপত্তা ক্যামেরায় দেখা গেছে বিস্ফোরণের আগে ঐ যুবক মন্দিরে তার ব্যাক-প্যাক রেখে চলে যায়। থাই পুলিশ প্রধান সোমইয়ত পুনপানমুয়াং বার্তা সংস্থা এপিকে বলেছেন, সোমবারের বোমা হামলার পেছনে একাধিক ব্যক্তির হাত ছিল।

“এটি একটি চক্র।” তবে এর বেশি কিছু বলতে চাননি পুলিশ প্রধান। মি পুনপানমুয়াং বলেন, তিনি নিশ্চিত হামলার সাথে থাই নাগরিক জড়িত ছিল। তবে হলুদ টি-শার্ট পরা যে যুবকটিকে হামলাকারী হিসাবে সন্দেহ করা হচ্ছে, সে থাই নাগরিক নাকি বিদেশী তা বলছে না পুলিশ। প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান-ওচা সন্দেহভাজন ঐ যুবককে আত্মসমর্পণ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, না হলে চক্রান্ত চাপা দিতে ঐ যুবককে হয়তো মেরে ফেলা হতে হতে পারে। এখনও পর্যন্ত কেউই ঐ হামলার দায় স্বীকার করেনি।

থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে ষাটের দশক থেকে মুসলিম বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সশস্ত্র আন্দোলন করছে। তবে থাই সরকারের মুখপাত্র মেজর জেনারেলর উইরাচুন সুখোনতাপাতিপাক বলেছেন, মুসলিম বিচ্ছিন্নতাবাদীরা যে ধরণের হামলা করে তার সাথে সোমবারের বোমা হামলার কোনও মিল নেই। খুলে দেওয়া হয়েছে এরওয়ান মন্দির হামলার দুদিন পরেই আজ (বুধবার) স্থানীয় সময় সকাল আটটার দিকে ব্রহ্মার মূর্তি সম্বলিত এরওয়ান মন্দিরটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

যদিও আজও মন্দির চত্বর থেকে একটি দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। ব্যাংককের কেন্দ্রে দৃশ্যত তেমন কোন বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না। মন্দিরে ঢোকার মুখেও তেমন কোনও তল্লাশি চালানো হচ্ছেনা। থাই অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি পর্যটন। ব্যাংকক থেকে বিবিসির একজন সংবাদদাতা বলছেন, সে কারণেই সচেতন ভাবেই হয়তো কর্তৃপক্ষ দেখাতে চাইছেন পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। সূত্র:বিবিসি

(Visited 6 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here