৪৭ লাখ নাগরিককে ‘তথ্য বিবরণী’ দেবে ইসি

0
193

4 (1)সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: ২০১৪ সালে যারা ভোটার হয়েছেন অথচ জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পাননি তাদের আপদকালীন সময়ের জন্য ‘তথ্য বিবরণী’ দেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, খুব শিগগিরই স্মার্ট কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০১৪ সালের ৪৭ লাখ ভোটারদের লেমিনেটেড এনআইডি না দেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো ইসি। এতে ওইসব সাধারণ নাগরিকরা প্রতিনিয়তই বিভিন্ন সেবা পেতে অসুবিধায় পড়ছেন।

তাই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নাগরিকরা যেন প্রয়োজনীয় কাজ চালাতে পারেন সেজন্য তাদের একটি তথ্য বিবরণী দেওয়ার কথা ভাবছে ইসি। যেখানে এনআইডি নম্বরসহ অন্যান্য তথ্যগুলোও থাকবে। জানা গেছে, ইসির এনআইডি অনুবিভাগের মহাপরিচালক ৪৭ লাখ ভোটারকে সাময়িক পরিচয়ত্র দেওয়ার সুপারিশ করেছিলেন।

কিন্তু আইনে তা সাপোর্ট না করায় সে সুপারিশ আমলে নেয়নি ইসি। তবে জাতীয় পরিচয়পত্রে যে তথ্যগুলো থাকে তেমন একটি তথ্য বিবরণী দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) কমিশন বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এজন্য এনআইডি শাখাকে প্রয়োজনীয় ফরমেট ডেভেলপসহ আনুষঙ্গিক কাজ সম্পন্ন করে আগামী কমিশন বৈঠকে তার কাগজপত্র উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।

এক্ষেত্রে যাদের এনআইডি নেই তারা ইসির ওয়েবসাইটে গিয়ে নাম, পিতা-মাতার নাম, ঠিকানা লিখে যথাযথ প্রক্রিয়ায় নিবন্ধন সম্পন্ন করার পর এনআইডি নম্বরসহ কিছু তথ্য পাবেন। যা প্রিন্ট করে নিয়ে ব্যাংক একাউন্টসহ প্রয়োজনীয় কাজ সারতে পারবেন। নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ বলেন, যাদের এনআইডি নেই এমন ৪৭ লাখ নাগরিকের অসুবিধার কথা চিন্তা করে একটা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

যেন তারা অন্তত এনআইডি নম্বরসহ কিছু তথ্য পান। তিনি বলেন, এতে সেবা পেতে কোনো সমস্যা হবে না। কেননা, সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এসব তথ্যের ভিত্তিতে যেকোনো নাগরিকের পরিচয়পত্র ইসির সার্ভার থেকে যাচাই করতে পারবেন। তবে এই তথ্য বিবরণীতে ইসির কোনো লোগো বা কোনো স্বীকৃতি সম্বলিত সাইন থাকবে না।

তবে ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, যেকোনো প্রতিষ্ঠানে সেবা নিতে গেলে এনআইডি’র সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়। এক্ষেত্রে এমন তথ্য বিবরণী দিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠান সেবা দেবে না। কেননা, এটা জালিয়াতি করা খুবই সহজ হবে। তাই কোনো প্রতিষ্ঠানই ঝুঁকি নেবে না। এতে শুধু হয়রানিই বাড়বে।

অন্যদিকে এ তথ্য বিবরণী কেবল অনলাইনে আবেদন করেই পাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে তথ্য বিবরণী পেতেও বেগ পেতে হবে নাগরিকদের। কেননা, ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেশিরভাগ মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংযুক্ত থাকলেও তারা ইন্টারনেটের ব্যবহার জানেন না। তাই এ সেবাকে কেন্দ্র করেও একটি দালাল চক্র গড়ে উঠবে। এছাড়া তথ্য বিবরণীতে ইসির যেকোনো ধরনের সাইন থাকাও জরুরি।

(Visited 10 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here