যে কারনে বয়স্ক পুরুষ নারীদের পছন্দ

0
235

0 (27)সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: দাদি-নানিদের বলতে শুনেছি, পুরুষ মানুষের বয়স নাকি কোনও বাধাই নয়। পুরুষ সব বয়সেই সমান তেজি। মহিলাদের যেমন লাফিয়ে লাফিয়ে বয়স বাড়ে, পুরুষের নাকি সে বালাই নেই। মহিলারা যেখানে ৪০শেই যৌবন বিসর্জন দিয়ে বার্ধক্যের দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে শুরু করেন, সেখানেই নাকি পুরুষের সেকেন্ড ইনিংস শুরু, পুরোদমে, নতুন করে।

তাই তো ইংরেজিতে একটা প্রবাদ চালু আছে, “a man’s life starts at 40”। ফর্টিতেই বেশি হ্যান্ডসম, বেশি সফল, বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠেন অধিকাংশ পুরুষ। এবং সেই পুরুষকেই মনে মনে কামনা করে বসেন কোনও কোনও যুবতি। ২৫-৩০শের হ্যান্ডসাম হাঙ্কদের এড়িয়ে তাঁদের মন চলে যায় দুর্দান্ত মধ্যবয়স্কদের দিকে।

এবং সমস্ত বাধা পেরিয়ে সম্পর্কের যদি সূত্রপাত ঘটেও, অতিমাত্রায় সুখী হন সেই সব কাপল। বিখ্যাতদের মধ্যেও এমন অসম বয়সের জুটি দেখেছি আমরা। যেমন সাইফ-কারিনা, চার্লি চ্যাপলিন-ওনা ওনিল, ইমরান খান-জেমাইমা খান, ওয়াসিম আকরম-শানিয়েরা থমসন এবং আরও অনেকে। লাইম লাইটের বাইরের সাধারণ কাপলদের মধ্যেও দেখা যায় বিস্তর বয়সের ফারাক। কেন বারবার বেশি বয়সি পুরুষকে মন দিয়ে বসেন যুবতিরা, জেনে নেওয়া যাক:-

১. প্রেয়সী “বেব” (Babe) নন:- বেশি বয়সি প্রেমিকের নজরে প্রেমিকা কখনওই বেব নন। তিনি খানিকটা দেবীর আসনেই বসে যান। যেহেতু দু-জন দুটি ভিন্ন প্রজন্মের, তাই এমন পুরুষের মধ্যে রেট্রো ছাপ স্পষ্ট। মাধুরী দীক্ষিত বা মধুবালা যাঁর প্রিয় অভিনেত্রী, তিনি তো নির্দ্বিধায় কম বয়সি পুরুষের চেয়ে বেশি রোম্যান্টিক হবেনই। হোয়াটস্ অ্যাপ বা ই-মেলের চেয়ে চিঠির প্রেমই তাঁর কাছে আদর্শ প্রেমের ধরন।

২. নতুন বোতলে পুরোনো ওয়াইন:- কথায় আছে ওয়াইন যত পুরোনো হবে, ততই নাকি তাঁর টেস্ট বাড়বে। এ ক্ষেত্রে কথাটি বেশি বয়সি প্রেমিকের ক্ষেত্রেও সত্যি। সমবয়সি পুরুষের চেয়ে তিনি বেশিদিন পৃথিবীটা দেখেছেন বলে, সব কিছু বেশি ভালো করে ম্যানেজ করতে জানেন। এমন পুরুষের প্রতি আপনাআপনিই শ্রদ্ধাবোধ চলে আসে।

৩. যৌনভাবে অনেকবেশি সক্রিয়:- অভিজ্ঞতার কারণেই হোক আর যাই হোক, যৌন জীবনে অনেকবেশি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন বেশি বয়সি পুরুষ। হাঁটুর বয়সি প্রেমিকার প্রতি অনেক বেশি যত্নবান হয় তাঁর আচরণ। ৪. বারবার প্রেমে পড়েন না:- বাচ্চা ছেলেদের মতো বারবার ডেট, বারবার প্রেমে পড়ার বদ অভ্যেস নেই ৪০ ঊর্ধ্ব প্রেমিকের। একজন নারীকে নিয়েই খুশি থাকতে পছন্দ করেন তিনি।

৫.শাসন করেন ভালোবেসে :- যেহেতু বাবার চেয়ে তাঁর বয়সের ফারাক বেশি নয়, তাই তিনি অতি সহজেই বাবার আসনে বসে যান। ফলে তিনি যদি শাসন করেনও, ইগোতে লাগে না। মনে হয়, বড় তো! তাই বকুনি দিতেই পারেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, শাসন করার পর তিনি কিন্তু তাঁর ছোট্ট প্রেমিকাকে নানাভাবে খুশি করার চেষ্টা করেন।

৬. কথোপকথনে বোরডম নেই:- লেখাপড়া, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতায় অনেকটাই এগিয়ে থাকার ফলে নানা বিষয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলে যেতে পারেন তিনি। আপনার মনে হয় “চলতা ফিরতা এনসাইক্লোপিডিয়া”। ৭. ক্যারিয়ার সেটলড:- সেই কবে প্রোমোশন হবে, তারপর স্যালারি বাড়বে, এমন আশায় থাকতে হয় না। ক্যারিয়ার তাঁর এমনিতেই ঝকঝকে। নিজের বাড়ি, নিজের গাড়িও হয়ে গেছে এতদিনে। তাই এই চিন্তার নো এন্ট্রি।

(Visited 3 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here