বিশাল কনভেনশন সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ

0
141

54সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পর বিশাল পরিসরে আরো একটি আন্তর্জাতিক কনভেনশন  ও এক্সিবিশন সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ঢাকার অদূরে বুড়িগঙ্গার অপর পাড়ে ঢাকা-মাওয়া অথবা ঢাকা-দোহার সড়কে এ কেন্দ্রটি স্থাপন করা হবে।

এ বিষয়ে রোববার বিকেলে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। বৈঠকে সম্ভাব্য উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। সূত্র জানায়, প্রকল্পের  প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ কোটি ডলার অর্থাৎ  দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ২৩০০ কোটি টাকা।

সরকারি বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে (পিপিপি) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চীন সফরকালে দেশটির সরকার বাংলাদেশে একটি এক্সিবিশন হল নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছিল। সেটি বিবেচনায় রেখেই কনভেনশন সেন্টারটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর আগে ঢাকাস্থ চীনের রাষ্ট্রদূত অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এক্সিবিশন সেন্টারটি নির্মাণ  করে দিতে আগ্রহ প্রকাশ করে।  অর্থমন্ত্রী চীনের এ প্রস্তাবের বিপরীতে একটি আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার তৈরি করে দেওয়ার প্রস্তাব দেন।

এরই অংশ হিসেবে এ বৈঠকের  আয়োজন করা হয়েছে। সূত্রমতে, প্রস্তাবিত কনভেনশন সেন্টারটি নির্মাণ করতে ঢাকা-মাওয়া বা ঢাকা-দোহার সড়কে সুবিধাজনক কোথাও ৫০ বিঘা জমির প্রয়োজন হবে। এই জমি অধিগ্রহণ করা হবে। কনভেনশন সেন্টারে ৫ হাজার আসনের একটি গ্যালারি, ৫০০ আসনের দুটি গ্যালারি, ২০০ আসনের ১০টি সেমিনার কক্ষ থাকবে।

এছাড়াও প্রায় ১০০টি বিভিন্ন ধরনের দফতর, প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রীদের জন্য ১০ থেকে ১৫টি দফতরের ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে বেসরকারিখাতে ক্যাফেটরিয়া অথবা রেস্তোরাঁ গড়ে তোলার সুযোগ থাকবে। কনভেনশন সেন্টারের কাছে অন্তত দুইটি হোটেল, একটি শপিং প্লাজা এবং একটি এক্সিবিশন হল থাকবে। কনভেনশন সেন্টার এলাকায় কমপক্ষে ৫০০ গাড়ি পার্ক করার ব্যবস্থা রাখা হবে। যানজট এবং রাজধানী থেকে দূরে কনভেনশন সেন্টার স্থাপন কতটা যুক্তিযুক্ত হবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট  একজন কর্মকর্তা বলেন, এ ধরনের বিশাল একটি কনভেশন সেন্টার রাজধানীর বাইরে হওয়াটাই ভালো। এতে রাজধানীর ওপর  চাপ কম পড়বে। আর যাতায়াতের তেমন সমস্যা হবে না। ইতিমধ্যে পিপিপি দফতর ঢাকার জিরো পয়েন্ট থেকে যেখানে কনভেনশন সেন্টার পর্যন্ত উড়াল সড়ক বানানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

এয়ারপোর্ট থেকে কমলাপুর এবং চট্রগ্রাম পর্যন্ত  উড়াল সড়ক নির্মাণ প্রকল্প ইতিমধ্যে গৃহীত হয়েছে। সূত্র আরো জানায়, রোববার বৈঠকে প্রস্তাবিত কনভেনশন সেন্টারের জায়গা চূড়ান্ত করাসহ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে চীনের এ ধরনের কনভেনশন সেন্টার স্থাপনে সুনাম রয়েছে। প্রস্তাবিত কনভেনশন সেন্টারটি নির্মাণেও চীনকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।

(Visited 3 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here