Daily Archives: Mar 5, 2017

0 32

সিলেটের সংভাদ ডটকম ডেস্ক: পশ্চিমা লঘুচাপের সঙ্গে পূবাল বাতাসের সংমিশ্রণের ফলে ৫ মার্চ রোববার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির খবরও শোনা গেছে।

সন্ধ্যার পর শিলাবৃষ্টির এ খবর জানিয়েছেন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার প্রতিনিধিরা। তারা জানান, বসন্তের মাঝামাঝিতে কালবৈশাখীর আগেই ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি হয়েছে। এতে বোরো ধানের ক্ষতির পাশাপাশি হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে।

বৃষ্টির সময় বজ্রপাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন জায়গায় আমের মুকুলেরও ক্ষতি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আবহাওয়া অধিদফতরের কন্ট্রোলরুম জানায়, রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে দ্বীপ জেলা ভোলায়। সেখানে ৫১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস।

আর বরিশাল ও শ্রীমঙ্গলে রেকর্ড করা হয়েছে ১১ মিলিমিটার করে, বগুড়ায় ২ মিলিমিটার, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, সন্দ্বীপ, সীতাকুণ্ড, মাইজদী কোর্ট, ফেনীতে ১ মিলিমিটার করে বৃষ্টিপাত হয়েছে। আবহাওয়া কর্মকর্তারা বলছেন, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। আর দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে মৌসুমী লঘুচাপ।

যার প্রভাবে এ বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ ছাড়া আগামী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়া বুলেটিনে বলা হয়েছে। দেশের অন্যত্র আবহাওয়া অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থেকে প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

0 19

প্রথম সকাল ডটকম: দেশের শতকরা প্রায় ১৫ জন দীর্ঘমেয়াদী কিডনি রোগে আক্রান্ত এবং কিডনিজনিত জটিলতার কারণে দেশে প্রতিদিন ১২০ জনের মৃত্যু হয়। ৫ মার্চ রোববার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচার একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ তথ্য জানানো হয়।

৯ মার্চ বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন সূত্র উদ্ধৃতি করে ইনসাফ বারাকাহ কিডনি অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আলতাফ হোসেন বলেন, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ ধীরগতিতে কিডনি অকেজো হওয়ার প্রধান কারণ।

বয়স্কদের দীর্ঘমেয়াদী কিডনি রোগ বর্তমান সময়ে একটি অত্যন্ত আলোচিত বিষয়। ‘দেশের ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় ২ কোটি মানুষ কোনো না কোনোভাবে কিডনি রোগে আক্রান্ত। প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পরলে ও সঠিক চিকিৎসা দিতে পারলে ৭০ ভাগ লোকের কিডনি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে পারে। তিনি  জানান, কিডনি সম্পূর্ণ বিকল হলে সর্বোত্তম চিকিৎসা হলো কিডনি সংযোজন।

১৯৫৪ সালে মানবদেহে প্রথম কিডনি সংযোজন শুরু হয়। বাংলাদেশে ১৯৮২ সালে প্রথম কিডনি সংযোজন শুরু হয়। বাংলাদেশে দুই হাজারের বেশি বোগীর কিডনি সংযোজিত হয়েছে। এ সবই জীবিত এবং আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে সংগৃহীত। অনুষ্ঠানে হাসপাতালের পাবলিক রিলেশন অফিসার মো. সোহরাব আকন্দসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত স্বাস্থ্য বিটের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

0 3

সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: দেশের অর্থনীতি ও মানবসম্পদ উন্নয়নসহ সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাটশিল্প উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। ৬ মার্চ (সোমবার) জাতীয় পাট দিবস উপলক্ষে রোববার দেয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় পাট দিবস -২০১৭’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। বাংলার পাট খাতের সমৃদ্ধি আরও ত্বরান্বিত করতে এ উদ্যোগ সহায়ক হবে বলে আমার বিশ্বাস।

ইতোমধ্যে বাংলাদেশ জাতিসংঘ ঘোষিত সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দৃষ্টান্তমূলক সাফল্য লাভে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য নির্মূলসহ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও বাংলাদেশ সফল হবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। এ ক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব পাট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মহাসড়কে এগিয়ে চলেছে।

সরকার গৃহীত রূপকল্প ২০২১ এবং রূপকল্প ২০৪১ এর আলোকে বাংলাদশ ২০৪১ সালের আগেই উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষুধা, দারিদ্র্য, শোষণ ও বঞ্চনামুক্ত ‘সোনার বাংলা’ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। জাতির পিতার সেই স্বপ্ন পূরণে সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখবেন-এ প্রত্যাশা করি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতা। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক মুক্তি। সে লক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সদ্য স্বাধীন যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের অর্থনীতির পুনর্গঠনে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি রাষ্ট্রের উৎপাদন যন্ত্রের উপর জনগণের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে পাট ও বস্ত্রকলসমূহ জাতীয়করণ করেন।

পাটের গবেষণার উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় পাটকলসমূহ আধুনিকায়নের ফলে পাটখাত পুনরায় অর্থনীতিতে গৌরবোজ্জ্বল অবদান রাখছে। পাট শিল্পের সঙ্গে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি জড়িত। দেশীয় সংস্কৃতি ও কৃষ্টির সঙ্গে মানানসই পাট ও পাটজাত পণ্য দেশে যেমন গুরুত্বের দাবিদার, তেমনি বিশ্ব বাজারেও এটি একটি অনন্য পরিবেশবান্ধব পণ্য হিসেবে সমাদৃত।

0 2

সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার পাটখাতের উন্নয়নের জন্য সর্বাত্মক উদ্যোগ নিয়েছে। বেশ কয়েকটি বন্ধ পাটকল পুনরায় চালু করা হয়েছে।

পাটের অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধির জন্য পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন ২০১০ এবং পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার বিধিমালা ২০১৩ কার্যকর করা হয়েছে। একটি সময়োপযোগী পাট আইন অনুমোদনের পথে রয়েছে। ৬ মার্চ জাতীয় পাট দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশে প্রথমবারের মতো ৬ মার্চ ২০১৭ ‘জাতীয় পাট দিবস’ উদযাপিত হতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি পাটচাষি, পাটশিল্পের শ্রমিক-কর্মচারী, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ীসহ পাট উৎপাদন এবং বিপণনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। তিনি বলেন, ‘সোনালি আঁশখ্যাত পাট বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। পাটখাত এখনও দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত।

শ্রমঘন পাটখাত দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর পাট ও বস্ত্রকলসমূহ জাতীয়করণ করেন। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর ক্ষমতা দখলকারী সরকারগুলো পাটশিল্পকে ধ্বংস করে। একের পর এক পাটকল বন্ধ করে দেয়।

বিএনপি সরকার ২০০২ সালে অন্যান্য পাটকলসহ এশিয়ার সর্ববৃহৎ পাটকল আদমজীও বন্ধ করে দেয়। ফলে পাট, পাটপণ্য উৎপাদন, রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। পাটশিল্প ধ্বংস হয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, ‘দেশিয় সংস্কৃতির ঐতিহ্য ও কৃষ্টির সঙ্গে মানানসই বাংলাদেশের গর্ব সোনালি আঁশ বা পাটের বহুবিধ পণ্য বাজারে বিদ্যমান। ফলে এই পাটশিল্প বিকাশের স্বার্থে যথাসম্ভব দেশিয় সংস্কৃতি ধারণ করে এরূপ পরিবেশবান্ধব পাটজাত সামগ্রী ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এতে পাট চাষিগণ পাটের ন্যায্য মূল্য পাবেন।

পাটখাতের উন্নয়ন ঘটবে। সোনালি আঁশের ঐতিহ্য আবার ফিরে আসবে। পাট পরিবেশবান্ধব, তাই নির্মল ও দূষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে পাট ও পাটজাত বহুমুখী পণ্যের বিকল্প নেই। আমি আশা করি জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সোনালি আঁশ অন্যতম হাতিয়ার হবে।’ পরিশেষে তিনি ‘জাতীয় পাট দিবস-২০১৭’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

0 2

সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: হার দিয়ে ওয়ার্ল্ড হকি লিগের দ্বিতীয় রাউন্ড শুরু করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। ফিজিকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ হকি দল। এই জয়ের মধ্যদিয়ে ওয়ার্ল্ড হকি লিগে প্রথম জয় পেয়েছে জিমি-চয়নরা।

রোববার মওলানা ভাসানী জাতীয় হকি স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় রাউন্ডের দ্বিতীয় ম্যাচে ফিজির বিপক্ষে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার খেলতে থাকে বাংলাদেশ। তবে প্রথম কোয়ার্টারে একাধিক আক্রমণ করেও কোনও গোলের দেখা পায়নি লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।

একইভাবে দ্বিতীয় কোয়ার্টারের প্রথম তিন মিনিটে একাধিক আক্রমণ করেও প্রতিপক্ষের জালে বল জড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে ম্যাচের ২৬ মিনিটের মাথায় প্রথম গোল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেন চয়ন।

দ্বিতীয়ার্ধের দুই মিনিটের মাথায় পেনাল্টি কর্নারে সমতায় ফেরে ফিজি। এরপর জিমির টানা দুই গোলের সুবাদে ফের এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। জিমির দুই গোলে ৩-১ এ ব্যবধান এগিয়ে যায় স্বাগদিকরা।

চতুর্থ কোয়ার্টারের ছয় মিনিটের মাথায় নিজের দ্বিতীয় গোলের দেখা পান মামুনুর রহমান চয়ন। ম্যাচ শেষ হওয়ার দুই মিনিট আগে প্রতিপক্ষের জালে বল জড়িয়ে জয়ের ব্যবধান ৫-১ করেন আশরাফুল। এর আগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হেরেছিল স্বাগতিকরা। আগামী ৭ মার্চ একই ভেন্যুতে ওমানের বিপক্ষে মাঠে নামবেন জিমি-চয়ন-আশরাফুলরা।

সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: ‘আনসার-আল-ইসলাম’ এর কার্যক্রম দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা পরিপন্থী বলে উল্লেখ করে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারির পর গত ১ মার্চ বুধবার সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করে গেজেট জারি করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক অধিশাখা-২ এর উপ-সচিব মো. নায়েব আলী স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, ‘সরকারের কাছে এ মর্মে প্রতীয়মান হয় যে, আনসার-আল-ইসলাম নামক জঙ্গি দল বা সংগঠনটির ঘোষিত কার্যক্রম দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা পরিপন্থী।

ইতোমধ্যে দল বা সংগঠনটির কার্যক্রম জননিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে বিবেচিত হওয়ায় বাংলাদেশে এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো। গত বছর জঙ্গি হামলা ও একাধিক লেখক-ব্লগার হত্যার অভিযোগ উঠে ‘আনসার-আল-ইসলাম’ এর বিরুদ্ধে। আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল কায়দার ভাবাদর্শে উদ্বুদ্ধ এবং ওই সংগঠনের বাংলাদেশ শাখা বলে আনসার আল ইসলাম দাবি করে আসছে।

প্রসঙ্গত, জঙ্গি কার্যক্রমে জড়িত থাকায় এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০০৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি শাহাদত-ই-আল হিকমা, ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বরে হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশ, ২০০৫ সালের ১৭ অক্টোবর জাগ্রত মুসলিম জনতা বাংলাদেশ (জেএমজেবি) ও জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি), ২০০৯ সালের ২২ অক্টোবর হিযবুত তাহরীর এবং ২০১৫ সালের ২৫ মে আনসারুল্লাহ বাংলাকে টিম নিষিদ্ধ করে।

সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: বিশ্বের পারমাণবিক শক্তিধর নয়টি দেশের মধ্যে পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যার দিকে দিয়ে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র রয়েছে রাশিয়াতে। বিশ্বের নয়টি দেশের কাছে মোট ১৪ হাজার ৯০০টি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে।

এর ৯৩ শতাংশই রয়েছে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের হাতে। ফেডারেশন অব আমেরিকান সায়েন্টিস্টের বরাত দিয়ে এশিয়া নিউজ নেটওয়ার্কের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বে মোট ১৪ হাজার ৯০০টি পারমাণবিক অস্ত্রের মধ্যে রাশিয়ার হাত রয়েছে সাত হাজার অস্ত্র।

আর যুক্তরাষ্ট্রের কাছে রয়েছে ছয় হাজার ৮০০টি। এছাড়া ফ্রান্সের কাছে রয়েছে ৩০০টি, চীনের কাছে ২৬০, যুক্তরাজ্যের ২১৫, পাকিস্তানের ১২০, ভারতের ১২০, ইসরায়েলের ৮০ ও উত্তর কোরিয়ার কাছে আছে ১০টি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। পারমাণবিক অস্ত্র বিরতিকরণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করা দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য। ইসরায়েল তার পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি।

তবে বিশ্বে পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা প্রকাশিত তথ্যের চেয়েও অনেক বেশি বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিউ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই নয়টি দেশের কাছে মোট ১৫ হাজার ৩৯৫টি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। এর আগে ২০১৫ সালে বলা হয়েছিল, ওই নয়টি দেশে ১৫ হাজার ৮৫০টি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে।

সবার আগে যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪৫ সালে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করে। ১৯৪৯ সালে রাশিয়া এই অস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম হয়। পারমাণবিক শক্তিধর দেশে পরিণত হওয়া সর্বশেষ দেশ হলো উত্তর কোরিয়া। দেশটি ২০০৬ সালে পারমাণবিক অস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়।

সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: দক্ষিণ সোমালিয়ার উপসাগরীয় এলাকায় গত ৪৮ ঘণ্টায় তীব্র খরা, দুর্ভিক্ষ ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অন্তত অন্তত ১১০ জন মারা গেছে। হঠাৎ করেই দেশটিতে তীব্র খরা দেখা দেয়।

খরার প্রকোপে ও খাদ্য না পেয়ে গত ৩ ও ৪ মার্চ এসব মানুষের মৃত্যু হয়। এরআগে গত ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘের শিশু সংস্থা ইউনিসেফ এক পূর্বাভাসে বলেছিল, চলতি বছরের খরায় দুর্ভিক্ষপীড়িত সোমালিয়ায় অন্তত ২৭ হাজার শিশু তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত হতে পারে।

শনিবার দেশটিরপ্রধানমন্ত্রী হাসান আলি খায়রের দপ্তর থেকে জানানো হয়, তীব্র খরাক্রান্ত এলাকার খামারি ও  তাদের লালিত পশু-পাখিদের বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেইসঙ্গে খাদ্য সংকট তীব্র হওয়ায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে অনেকে।

এদের মধ্যে গত ৪৮ ঘণ্টায় উপসাগরীয় এলাকায় অন্তত ১১০ জন মারা গেছে। দুর্ভিক্ষ মোকাবেলায় করা কমিটির সঙ্গে এক বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। তারা পরিস্থিতি সামাল দিতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এর আগে ২০১১ সালের দুর্ভিক্ষে সোমালিয়ায় অন্তত ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

 

0 11

সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: সরকারি নীতিমালার পাশাপাশি প্রতিটি পত্রিকা অফিসের নিজস্ব নীতিমালা থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ‘নারী পুরুষের বৈষম্যহীন গণমাধ্যম চাই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। হাসানুল হক ইনু বলেন, সরকারিভাবে নীতিমালা হচ্ছে।

তবে প্রতিটি পত্রিকা অফিসে সাংবাদিকদের কোন নীতি মেনে চাকরিতে যোগদান করানো হচ্ছে, কোন স্কেলে বেতন দেওয়া হচ্ছে, কোন ক্ষমতাবলে ও কী কারণে চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে তার সুনির্দিষ্ট ও স্পষ্ট নীতিমালা থাকতে হবে। সরকারি নীতিমালার পাশাপাশি প্রতিটি পত্রিকা অফিসেরও নিজস্ব নীতিমালা থাকতে হবে।

তিনি বলেন, সাংবাদিক ইউনিয়নগুলোর উচিত কোন কোন অফিস নীতিমালা অনুসরণ করছে তা দেখভাল করা। প্রতিবছর বছরই সেটা দেখভাল করে তথ্য মন্ত্রণালয়কে রিপোর্ট করা। এসব নিয়ম পালন ছাড়া কোনো ক্ষেত্রেই দেশে টেকসই উন্নয়ন হবে না। নারীদের আগের তুলনায় গণমাধ্যমে কাজ করার বেশি সুযোগ তৈরি হচ্ছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পরে অনেক কাজ করেছি, বিশেষ করে গণমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিকী করণের বিষয়ে অনেক কাজ করছি।

ইতোমধ্যে ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিভাগ রয়েছে। সেখানে প্রচুর মেয়েরা লেখাপড়া করছে। সরকারিভাবেও নারী-পুরুষ সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নারীবান্ধব কর্মক্ষেত্র তৈরির আইনের বিষয়ে তিনি বলেন, গণামাধ্যমে যেন এক তৃতীয়াংশ নারী কাজের সুযোগ পায় সে বিষয়ে অনেক আগে থেকেই আমরা বলে আসছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো অফিসই সেটা মানছে না।

আবার নারীর প্রতি সহিংসতা রোধেও একটি কমিটি কথার কথা এবং প্রতিটি অফিসে শিশুযত্ম কেন্দ্র করার কথা থাকলেও সেটা কেউ করছে না বলেই আমরা জানি। ফলে নারীবান্ধব কর্মক্ষেত্র আইন থাকলেও, সেটা যদি কেউ বাস্তবায়ন না করে তাহলে কোনো ফলই আসবে না। তিনি আরও বলেন, নারী ও পুরুষ সাংবাদিকদের মধ্যে বৈষম্য দূর করতে হবে।

আর তা দূর করতে হলে সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে সাংবাদিকদেরই। এছাড়া সংবাদ পত্রিকার মালিকদেরও অনেক বড় ভূমিকা রয়েছে। আপনারা নিজস্ব নিতীমালা তৈরি করুন, যৌন হয়রানি বিষয়ক কমিটি করুন, নারীর যাতায়াতের নিরাপত্তার জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করুন।

জাতীয় প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইফুল আলমের সভাপতিত্বে এবং ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্তের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরিন ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন। আলোচনা সভার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাংবাদিক শাহনাজ মুন্নী।

সিলেটের সংবাদ ডটকম এক্সক্লুসিভ: সিলেট সদর উপজেলার ৫ নং টুলটিকর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মৃত তাহির আলীর ছেলে পুকনের স্ত্রী তাহেরা বেগম রত্নার দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার প্রধান আসামী সৈয়দ শাহজাহান আহমেদ, জিয়াউর রহমান সুমন ও তার সাথীরা তাহেরা বেগম রত্নার সাথে আপোষ মিমাংসা করলেন।

অপর দিকে সৈয়দ শাহজাহানের দায়ের করা পুকনের উপর চুরি মামলাটিও আপোষ মিমাংসার হচ্ছে বলে স্হানীয় সুত্র থেকে জানা যায়।

মামলার বিবরনে প্রকাশ গত ৩১ জানুয়ারী ৫ নং টুলটিকর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মৃত সৈয়দ আলী আহমেদের ছেলে সৈয়দ শাহজাহান আহমেদ তার বাসায় চুরি হয়েছে বলে সিলেট শাহপরান থানায় ২ ফেব্রুয়ারি একটি চুরি মামলা দায়ের করেন যার নং-০১।

মামলায় তিনি মৃত তাহির আলীর ছেলে পুকন, একই এলাকার আজির, কালি, এরশাদসহ অজ্ঞাতনামাদের নাম উল্লেখ করেন। এ ঘটনায় পরদিন কয়েকজন মিলে পুকনকে মারধর করে আহত করেন। পরে পুকন সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্হায় পুলিশ তাকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করে।

এদিকে পুকনকে মারধর ও ধর্ষনের অভিযোগ এনে পুকনের স্ত্রী সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ও মাননীয় আদালতে ন্যায় বিচার চেয়ে আবেদন করেন। সে মোতাবেক পুলিশ কমিশনার কার্যালয় থেকে শাহপরান থানাকে বিষয়টির তদন্ত করে রিপোর্ট পাঠানোর জন্য বলা হয়। আর সে দায়িত্ব দেয়া হয় সিলেট শাহপরান থানার এসআই এনামুল হককে।

পাশাপাশি শাহজাহানের দায়ের করা মামলাটিও তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদানের জন্য বলা হয় এনামুল হককে। এসআই এনামুল হক তার তদন্তে শাহজাহানের বাসায় কোন চুরি সংঘটিত হয়নি মর্মে রিপোর্ট দাখিল করতে গেলে সৈয়দ শাহজাহান আহমেদ এনামুল হককে ম্যানেজ করেন। এবং পুকনের স্ত্রীর দেয়া অভিযোগটিও যেন তার পক্ষে রিপোর্ট প্রদান করা হয় সেই মর্মে এনামুল হককে অনুরোধ করলে এনামুল হক তার উপর ক্ষেপে যান।

কিন্তু আদালতে দায়ের করা মামলার কোন দফারফা করতে না পেরে সৈয়দ শাহজাহান আহমেদ দিকবেদিক দৌড়াদৌড়ি শুরু করেন। এক পর্যায়ে আদালত থেকে সিলেট শাহপরান থানায় গ্রেফতারী পরোওনা আসলে শাহজাহান, জিয়াউর রহমান সুমন ও তাদের সঙ্গীরা বাধ্য হয়ে পুকনের চুরি মামলা আপোষের প্রস্তাব দেয় পুকনের চাচাতো বোন হেনার কাছে। আর সেজন্যই বলা হয় ঠেলার নাম বাবাজি!

এ ব্যাপারে হেনা বেগম জানান, মামলাটি আপোষ করার জন্য তিনি যান টুলটিকর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলীর কাছে। এবং রত্না ও তার সন্তানদের আলীর নিকট জিম্মায় দিয়ে আসেন। পরবর্তীতে আলী রত্নার মামলাটি আপোষ করেন এবং পুকনের চুরি মামলাটি আগামী ২ মাসের মধ্যে আপোষ করে পুকনকে জেল থেকে বের করে আনার প্রতিশ্রুতি দেন।

এদিকে একটি মামলা আপোষ হতে না হতেই আরেকটি দরখাস্ত মামলার আবেদন করেছেন পুকনের স্ত্রী তাহেরা বেগম রত্না। তিনি সিলেট আদালতে, সৈয়দ শাহজাহান আহমেদের মামলার আসামী কালি, কালির ভাই ও স্বামীকে আসামী করে আরেকটি দরখাস্ত মামলা দাখিল করেছেন বলে সুত্র থেকে জানা গেছে।

যান নং-২২২/২০১৭, ধারা-২০০৩ সালের সংশোধনী আইনের ৭, ৯ (৩) ৩০। এদিকে সৈয়দ শাহজাহান আহমেদের এমন ঘটনার জন্য এবং রত্নার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সাপ্তাহিক অভিযোগ নামে একটি পত্রিকায় পর পর তিনটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদন প্রকাশের পর ঐ প্রত্রিকার সম্পাদককে হুমকি দেয়া হয় এবং হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকাতে সৈয়দ শাহজাহানের বিরোদ্ধে একটি মামলাও হয় বলে জানা গেছে।

মামলার আপোষ মিমাংসার বিধি বিধান:- মামলা আপোষ মিমাংসার ব্যাপারে আলাপ হয় সিলেট জজ আদালতের একজন সিনিয়র আইনজীবির সাথে। তিনি জানান, সাধারণত ফৌজদারি অপরাধগুলোকে ‘সমাজের বিরুদ্ধে সংঘটিত’ বিবেচনা করা হয় বলে অপরাধের বিচার রাষ্ট্রের হাতে ন্যস্ত থাকে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি চাইলেও অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে আদালতের বাইরে কোনো বিশেষ সমঝোতায় পৌছাতে পারে না। এ কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তিও সহজে বিচার থেকে অব্যাহতি পায় না।

তবে ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রেও এমন কিছু অপরাধ রয়েছে, যেগুলোর নিষ্পত্তি পক্ষদ্বয়ের পারস্পরিক সমঝোতা বা চুক্তির মাধ্যমে আপোষ করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধিতে এর নাম দেয়া হয়েছে ‘কম্পাউন্ডিং অফেন্স’ বা ‘আপষযোগ্য অপরাধ’। ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ৩৪৫ নাম্বার ধারায় ‘আপসযোগ্য অপরাধ’ বিষয়ক যাবতীয় বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।

এটি এমন একটা বিধান যেখানে ক্ষতিগ্রস্ত এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি পারস্পরিক চুক্তির মাধ্যমে ও ক্ষতিপূরণের বিনিময়ে আদালতের অনুমতি ছাড়া কিংবা আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে মামলা নিষ্পত্তি করার সিদ্ধান্তে উপনীত হয়। কম্পাউন্ডিং অফেন্সের ক্ষেত্রে আইনের নীতি হলো এই যে যেসব অপরাধ তুলনামূলক কম মাত্রার ভয়াবহ এবং যেগুলোয় রাষ্ট্রের স্বার্থের তুলনায় কেবল ব্যক্তিস্বার্থই ক্ষুণ্ন হয়ে থাকে, সেসব অপরাধের বিচার আপোষের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি হতে পারে।

উল্লেখ্য, এভাবে মামলা আপস করার অর্থ মামলা প্রত্যাহার করা নয়। কারণ, মামলা প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে অভিযোগকারী আদালতের শরণাপন্ন হয় এবং আদালতের সন্তুষ্টির ভিত্তিতে মামলা প্রত্যাহার করে। অন্যদিকে ফৌজদারি মামলায় আপসের উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে কেবল ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি। মামলা আপস করার মধ্য দিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি মামলা থেকে রেহাই পেয়ে থাকে।

এ কারণে কোনো মামলা একবার আপস করা হলে পুনরায় একই বিষয়ে আদালতে মামলা দায়ের করা যায় না। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ নাম্বার ধারায় দন্ডবিধির অপরাধগুলোকে আপসযোগ্যতার ভিত্তিতে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম ভাগে রয়েছে ১৭টি অপরাধের তালিকা, যেগুলো আদালতের অনুমতি ছাড়াই আপস করতে পারবে।

আর দ্বিতীয় ভাগে আছে আরো ৪৪টি অপরাধের তালিকা, যেগুলো আদালতের অনুমতিসাপেক্ষে আপস করতে পারে। তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ নাম্বার ধারায় উল্লেখ বিশেষ আইনে (যেমন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, এসিড নিয়ন্ত্রণ আইন) অপরাধগুলোও অনাপষযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। যদি কোনো অনাপোসযোগ্য অপরাধ আইনের বিধান লঙ্ঘন করে আপস করা হয়, তাহলে তা কার্যবিধির ২১৩ ও ২১৪ ধারা অনুযায়ী অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। অপরাধের আপস সাধারণত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির তরফ থেকে করা হয়।

এ ক্ষেত্রে ব্যক্তি যদি নাবালেগ হয় তবে তার আইনানুগ অভিভাবকও আদালতের অনুমতিসাপেক্ষে আপসের উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারবে। মামলার যে কোনো পর্যায়েই আপসের উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। এমনকি মামলা হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ আদালতে আপিলরত অবস্থায়ও আপস করা যেতে পারে। তবে কোনো আপস যদি ভয়ভীতি প্রদর্শন, প্ররোচনা বা জোরপূর্বক করা হয়, তবে তা আপস হিসেবে বিবেচিত হবে না।

0 448
গত ১০ এপ্রিল ২০১৭ইং তারিখে সিলেটের সংবাদ ডটকমে ‘সিলেট নগরীতে সেনা কর্মকর্তা লাঞ্ছিত : গ্রেফতার চার ছাত্রলীগ নেতাকে রিমান্ডের আবেদন’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত...

0 1469
সিলেটের সংবাদ ডটকম এক্সক্লুসিভ: বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠন সিলেট মহানগর যুবলীগের আহবায়ক আলম খান মুক্তির। তাকে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না...