Daily Archives: Mar 6, 2017

সিলেটের সংবাদ ডটকম: আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে সিলেটের ওসমানীনগর ও সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচনে বেসকারিভাবে জয়লাভ করেছেন বিএনপির দুই প্রার্থী ময়নুল হক চৌধুরী ও আতাউর রহমান।

দুই উপজেলাতেই আওয়ামী লীগ একক প্রার্থী দিতে ব্যর্থ হয়। ওসমানীনগরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন জগলু চৌধুরী, আর জগন্নাথপুরে ছিলেন মুক্তাদির আহমদ মুক্তা। জগলু চৌধুরী হন ২য়, আর মুক্তা হন ৩য়।

বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী ওসমানীনগরে ২১০৮ ভোটের ব্যবধানে ময়নুল ও জগন্নাথপুরে ৫৮৪০ ভোটের ব্যবধানে আতাউর রহমান বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন। ওসমানীনগরের ৫২টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে ময়নুল হক চৌধুরী পেয়েছেন ১৯৮৩৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ঘোড়া মার্কা নিয়ে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আখতারুজ্জামান চৌধুরী (জগলু চৌধুরী) পেয়েছেন ১৭৮৬৫।

এছাড়া নৌকা মার্কা নিয়ে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী আতাউর রহমান পেয়েছেন ৯৮০৯ ভোট এবং লাঙ্গল মার্কা নিয়ে পেয়েছেন ২৪২৪ ভোট। অপরদিকে জগন্নাথপুর উপজেলায় বিএনপি প্রার্থী আতাউর রহমান পেয়েছেন ২৯৮৬৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগ প্রার্থী আকমল হোসেন পান ২৪০২৩ ভোট।

সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে ট্রাক ও প্রাইভেট কারের সংঘর্ষে আহত-৩, একজনের অবস্থা গুরতর।

স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় সোমবার বিকাল ৪টায় সিলেট-তামাবিল মহা সড়কের খাঁন চা বাগান সংলগ্ন এলাকায় সিলেটে হতে ছেড়ে আসা প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-গ-১১-৩৭১৩) সাথে সারীঘাট হতে ছেড়ে যাওয়া বালু বুঝাই ট্রাক (সিলেট-ড-১১-০৬১৬) সাথে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ঘটনায় প্রাইভেট কার যাত্রীরা আহত হন। আহতরা হলেন জৈন্তাপুর উপজেলা রুপচেং গ্রামের তেরা মিয়ার স্ত্রী মোস্তফা বেগম(৬৫), তেরা মিয়ার ছেলে প্রাইভেট কার চালক মোঃ সেলিম রানা(২৫) তোরা মিয়ার মেয়ে সাহেলা বেগম(২০)। তাদের মধ্যে গুরুত্বর আহত তেরা মিয়ার স্ত্রী মোস্তফা বেগম। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

এঘটনায় জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের এস আই সাহেদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে দূর্ঘটনায় কবলিত ট্রাক ও প্রাইভেটকার জব্দ করে। এ বিষষে এস আই সাহেদ জানান দূর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে এবং স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আহতদের  উদ্ধার করে সু-চিকিৎসার জন্য এম এ জি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশংঙ্কা জনক।

0 14

মোহাম্মদ ইমাদ উদ্দীন: অটিজম আক্রান্তদের প্রতি অযত্ন অবহেলা না করে সাধারণ নাগরিকদের মত জীবন যাপনে সুযোগ করে দেয়ায় আমাদের  নৈতিক দায়িত্ব। আমাদের অনেকের ধারনা, অটিজম একটি বংশগত রোগ। এটা সম্পূর্ণভাবে ঠিক নয়। সম্পূর্ণ সুস্থ বাবা মায়েরও অটিস্টিক শিশু হতে পারে।

আবার অনেকের ধারনা সঠিক পরিচর্যার অভাবে শিশু অটিস্টিক হতে পারে। এটাও কিন্তু ঠিক নয়। অটিস্টিক শিশুকে অনেকে বাবা মায়ের অভিশাপ বলে থাকেন, কিন্তু এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং ভিত্তিহীন। অনেক শিশু জন্ম ও স্বভাবগতভাবেই একটু বেশি অস্থির, চঞ্চল, রাগী অথবা জেদি প্রকৃতির হতে পারে।

এতেই কিন্তু বোঝা যায় না যে শিশুটি অটিস্টিক।  আমাদের সমাজের নানান ভুল ধারনা ও কুসংস্কারের ফলে অনেক শিশুর ভুল চিকিৎসা হয়ে থাকে, যা শিশুর জীবনের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।কোনও শিশু অটিজমে আক্রান্ত মনে হলে অনতিবিলম্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

প্রাথমিক অবস্থায় অটিজম নির্ণয় করতে পারলে এবং উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহন করলে অটিজম এর ক্ষতিকারক প্রতিক্রিয়াগুলো অনেক সফলভাবে মোকাবেলা করা যায়। শিশুর কি ধরনের অস্বাভাবিকতা আছে সেটা সঠিকভাবে নির্ণয় করে, নির্দিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে চিকিৎসা করলে ভাল ফল পাওয়া যেতে পারে।

অটিজমের বিষয়টি যত দ্রুত নির্ণয় করে চিকিৎসা শুরু করা যায় ততই ভাল৷ অটিস্টিক শিশু হয়তো অন্য সকল সাধারণ শিশুর মতো সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক আচরণ করতে পারবে না। কিন্তু, সাইকোথেরাপি বা স্পেশাল শিক্ষাদানের মাধ্যমে এসব শিশুকে ৮০ থেকে ৯০ ভাগ পর্যন্ত সুস্থ করে তোলা সম্ভব। এই ধরনের শিশুদের জন্য প্রচুর বিশেষায়িত স্কুল আছে, সেখানে তাদের জন্য বিশেষভাবে পাঠদানের ব্যবস্থা আছে। এ ধরনের স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে অবশ্যই একজন অকুপেশনাল থেরাপিষ্টের পরামর্শ নিতে হবে।

তিনি পরামর্শ দেবেন, কোন ধরনের স্কুলে আপনার শিশুকে ভর্তি করতে হবে। সঠিক পদ্ধতিতে এগোলে প্রতিটি অটিস্টিক শিশুই উন্নতি করে৷ এমনকি অনেক শিশু সাধারণ স্কুলে যাওয়ার মতোও হয়ে ওঠতে পারে।অনেক অটিস্টিক শিশুর কিছু মানসিক সমস্যা যেমন- অতিরিক্ত চঞ্চলতা, অতিরিক্ত ভীতি, ঘুমের সমস্যা, মনোযোগের সমস্যা ইত্যাদি থাকতে পারে।

অনেক সময় এরকম ক্ষেত্রে, চিকিৎসক শিশুটিকে ঔষধ দিতে পারেন।নিবিড় ব্যবহারিক পরিচর্যা, স্কুল ভিত্তিক প্রশিক্ষণ, সঠিক স্বাস্থ্য সেবা এবং প্রয়োজনে সঠিক ওষুধের ব্যবহার একটি শিশুর অটিজমের সমস্যা নিয়ন্ত্রনে আনতে অনেকখানি সহায়ক হয়। যথাযথ সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে অটিস্টিক শিশুদের সঠিক ভাবে বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করতে হবে।

তাছাড়া অটিজম শিশুদেরকে বাসায় আবদ্ধ না রেখে চিন্তা চেতনা বৃদ্ধির জন্য পার্কে কিংবা কোথাও ঘুরতে নিয়ে যাওয়া। তাদের জন্য বিনোদনের সুযোগ করে দেওয়া। এমন কি অন্যান্য শিশুদের সাথে মিলেমেশার সুযোগ করার ক্ষেত্রে অন্যান্য অবিভাবকদের কেও এগিয়ে আসতে হবে। অটিজমের যেহেতু কোনও নিরাময় নেই, তাই সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমেই এটি প্রতিরোধ করতে হবে।

পরিবারে কারো অটিজম অথবা কোন মানসিক এবং আচরণগত সমস্যা থাকলে, পরবর্তী সন্তানের ক্ষেত্রে অটিজমের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে পরিকল্পিত গর্ভধারণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। গর্ভাবস্থায় অধিক দুশ্চিন্তা না করা, পর্যাপ্ত ঘুম, শিশুর সাথে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। আরও কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। যেমন- বেশি বয়সে বাচ্চা না নেওয়া। বাচ্চা নেয়ার আগে মাকে রুবেলা ভেকসিন দিতে হবে।

 গর্ভাবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ওষুধ না খাওয়া । মায়ের ধূমপান, মদ্যপানের মত কোন অভ্যাস থাকলে বাচ্চা নেয়ার আগে অবশ্যই তা ছেড়ে দিতে হবে। বেশী বেশী পুষ্টি খাবার খাওয়া। সন্তান জন্মের পর থেকে অবশ্যই মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। আসুন নিজে সচেতন হই এবং অন্যকে সচেতন করে অটিজম প্রতিরোধ করি। অটিজম আক্রান্ত শিশুরা আমাদের কিংবা সমাজের বোঝা নয়। এদের প্রতিভাগুলি বিকাশ করার লক্ষে তাদের পাশে দাড়ায়।

সিলেটের সংবাদ ডটকম: সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচনে ৫২ কেন্দ্রের মধ্যে ৫১টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে চেয়ারম্যান পদে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ময়নুল হক চৌধুরী। ৫১টি কেন্দ্র মিলিয়ে ধানের শীষ মার্কা নিয়ে ময়নুল হক চৌধুরী পেয়েছেন ১৯৪৪৭ ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ঘোড়া মার্কা নিয়ে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আখতারুজ্জামান চৌধুরী পেয়েছেন ১৭৭০৫। তাদের ভোটের ব্যবধান ১৭৫২।

তাই ভোটের ব্যবধানে বেসরকারীভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ময়নুল হক চৌধুরী। এছাড়া নৌকা মার্কা নিয়ে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী আতাউর রহমান পেয়েছেন ৯৭০৩ ভোট এবং লাঙ্গল মার্কা নিয়ে পেয়েছেন ২৩৫২ ভোট।

চান মিয়া, ছাতক (সুনামগঞ্জ): সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনকে ঘিরে সর্বত্র নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। ১১মার্চ সম্মেলন অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনে জেলা, উপজেলা ছাড়াও তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে সাজ সাজ রব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

তবে সম্মেলন হচ্ছে কি- না এনিয়ে অনেকের মধ্যে সন্দেহ-সংশয় দেখা দিয়েছে। অতীতে কয়েক দফা তারিখ ঘোষণার পরও যথাসময়ে সম্মেলল না হওয়ায় জেলার ১১টি উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সম্মেলন ঘিরে এ সংশয় দেখা দেয়।

জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্বশীল কয়েকজন নেতা সম্মেলন নিয়ে তেমন একটা সরব ভূমিকায় না থাকলেও পদ প্রত্যাশী কয়েক ডজন নেতা কর্মী সরব ভূমিকা পালন করছেন। সম্মেলনের তারিখ ঘোষণার পর থেকে পদ প্রত্যাশিরা কেন্দ্র থেকে জেলাও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কাছে জোর লবিংয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

বর্তমান কমিটিতে থাকা কতিপয় বিতর্কিত ও ছাত্রলীগের ইমেজ ক্ষুন্নের সাথে জড়িত পদবীধারী একাধিক নেতা নতুন কমিটি থেকে ছিটকে পড়তে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব বিতর্কিত নেতারা পূনরায় পদ-পদবীতে আসীন তে কেন্দ্রসহ বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাপ দিচ্ছেন।  কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস.এম জাকির হোসাইন ২৮ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) সকালে গণমাধ্যমকে জানান, ১১মার্চই সম্মেলন অনুষ্টিত হবে।

তিনি যথাসময়ে সম্মেলন সম্পন্ন করতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতিও সাধারণ সম্পাদককে তাগিদ করেছেন বলে জানান। এক্ষেত্রে তারা যদি সম্মেলন করতে ব্যর্থ হন তাহলে ১১মার্চ-ই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে। একটি সুত্র জানায়, গত ২০১৭সালের ১৮ফেব্রুয়ারী সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্টানের তারিখ ১১মার্চ ঘোষণা করা হয়।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস.এম. জাকির হোসাইন স্বাক্ষরিত এক পত্রে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারন স¤পাদককে ১১মার্চ সম্মেলন করার নির্দেশ দেয়া হয়। অপরদিকে সম্মেলনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে জেলাও উপজেলা পর্যায়ে নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

তবে অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারে সম্মেলনের তোড়জোড় ব্যাপকভাবে লক্ষ্য করা না গেলেও জেলার সর্বত্র নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সারা দেশে ছাত্রলীগ চরম ইমেজ সংকটে হাবুডুবু খেলেও সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ এর ব্যতিক্রম। ছাত্রলীগের হাতেগোনা নেতাকর্মীরা ইমেজ সংকটের আচঁড়ে পড়লেও সকলেই ছিলেন দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের অতন্দ্র প্রহরী।

এ পরিস্থিতি হয়েছে একমাত্র জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফজলে রাব্বি সরন ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম চৌধুরীর অক্লান্ত পরিশ্রমে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম চৌধুরীরর ভূঁয়সী প্রশংসা করে বলেন, রফিক হচ্ছেন একজন অত্যন্ত মেধাবী, দক্ষ ও বহুগুনের অধিকারী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

তিনি দল ক্ষমতায় থাকার পরও থানা এমনকি প্রশাসনে দালালী, ক্ষমতার অপব্যবহার, টেন্ডারবাজি, লুঠপাটসহ কোন অনিয়মের সাথে কখনো জড়িত নহেন। তার মতো স্বচ্ছ ও আদর্শবান ছাত্র থাকায় জেলা ছাত্রলীগের কমিটি ছিল একটি আদর্শের প্রতীকও স্বচ্ছ রাজনীতির কেন্দ্র বিন্দু। তবে কিছু নেতাকর্মী যে- দলের ইমেজ সংকটের খোলস গাঁেয় পরেছিলেন একথা কেউ উড়িয়ে দিতে পারবেনা।

জেলা ছাত্রলীগের দুর্যোগ ও ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক ইশতিয়াক আলম পিয়াল বলেন, কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যে নির্ধারিত তারিখ দিয়েছেন সেই তারিখেই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ছাত্রলীগ নেতা দেওয়ান সিজান এনায়েত রেজা বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন হচ্ছে না, অনেক উপজেলায় কমিটি হচ্ছে না।

ছাত্রলীগের সম্মেলনের মাধ্যমে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সাংগঠনিক তৎপরতা আরো জোরদার হবে। ছাত্রলীগ নেতা দীপঙ্কর কান্তি দে বলেন, আমরা চাই নির্ধারিত তারিখেই সম্মেলন হোক। এই সম্মেলনের মাধ্যমেই প্রকৃত ছাত্র নেতৃত্ব বেরিয়ে আসুক এটাই আমাদের প্রত্যাশা। জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আরিফ-উল-আলম, শাহ মওদুদ আহমদ ও কাওছার আল-মামুন, মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল গাফ্ফার সম্মেলনের মাধ্যমে সৎ, যোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্ব বেরিয়ে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, সময় সম্মেলন না করলে জেলা ও উপজেলার তৃনমূল নেতাকর্মীরা চরম হতাশা ভোগেন।

এতে কর্মতৎপরতা শিথিল হয়ে পড়ে। তারা কেন্দ্র ঘোষিত তারিখেই সম্মেলনের মাধ্যমে একটি সুন্দর ও শক্তিশালী কমিটি গঠন করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।  জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিক আহমদ চৌধুরী বলেন, সম্মেলন সফল করতে সব ধরণের প্রস্তুতি চলছে। কেন্দ্র থেকে ১১মার্চ জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ নির্ধারিত হওয়ায় তৃণমূলে ও বইছে আনন্দের জোয়ার বইছে বলে দাবি করন তিনি। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফজলে রাব্বী সরণ বলেন, জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, সুনামগঞ্জ-২ আসনে উপ-নির্বাচন নিয়ে আমরা ব্যস্ত সময় পার করছি।

তবে শত ব্যস্ততার মধ্যেও কেন্দ্র থেকে নির্ধারিত তারিখেই সম্মেলন সম্পন্ন করতে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক দারুস সালাম শাকিল জানান, ১১মার্চ সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত থাকবেন।

সম্মেলনের আগেই প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হবে। নেতৃত্বে আসতে ইচ্ছুক নেতাদের কাছ থেকে প্রত্যেকের সিভি গ্রহণ করা হবে। তবে অবশ্যই যোগ্যদের খুঁজে আনা হবে নতুন কমিটিতে। দলের অপর একটি সুত্র জানায়, ইতিমধ্যে জেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে থাকা ছাত্রলীগের ইমেজ ক্ষুন্নকারি কয়েকজন এবারের নতুন কমিটি থেকে ছিটকে পড়তে পারেন বলে ধারনা করা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি দাবিদার তাহিরপুরের জনৈক নেতা জেলা, উপজেলা, ইউনিয়নও বাদাঘাট সরকারি কলেজ কমিটিতে পদ পাইয়ে দেবার কথা বলে স্থানীয় সুজন মিয়াসহ ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীর কাছ থেকে কয়েক লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। উল্ল্যেখ যে, ২০১১সালে ফজলে রাব্বী সরণকে সভাপতি ও রফিক আহমেদ চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক মনোনিত করে ১০সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় কমিটি। পরবর্তীতে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ঠিক রেখে ২০১৪ সালে ১২১সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়।

সিলেটের সংবাদ ডটকম: ঢাকা সিলেট মহাসড়কের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি এলাকায় ৩শ ২০ বোতল ফেন্সিডিলসহ একটি প্রাইভেট কার আটক করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ।

সোমবার বিকেলে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এ.এম আতাউর রহমানের নেতৃত্ব ফেন্সিডিল ভর্তি কার আটক করা হলেও ভিতরে থাকা লোকজন পালিয়ে যায় আগেই।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বি.বাড়িয়ার সিমান্ত এলাকা থেকে ঢাকা সিলেট মহাসড়ক দিয়ে ফেন্সিডিল ভর্তি সাদা রং এর একটি প্রাইভেট কার নবীগঞ্জ হয়ে সিলেট যাবে, এমন সংবাদ আসে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এ.এম আতাউর রহমানের কাছে।

এর পরেই কার ও মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করতে ফাঁদ তৈরি করেন ওসি আতাউর। সাথে সাথে একদল পুলিশ পাঠিয়ে দেন ঢাকা সিলেট মহসড়কে। থানার এস আই প্রদ্যুৎ ঘোষ চৌধুরীসহ একদল অবস্থান নিয়ে চেকপোস্ট বসান মহাসড়কের আউশকান্দি এলাকায়। পুলিশের অবস্থান টের পেয়ে (ঢাকা মেট্রো গ ১১- ৮৯৮৪) প্রাইভেট কার থেকে বেড়িয়ে পালিয়ে যায় মাদক ব্যবসায়ীরা।

এসময় ওই গাড়ি তল্লাশি করে ভারতীয় আমদানিকৃত নিষিদ্ধ ৩শ ২০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ফেন্সিডিলসহ কারটি থানা নিয়ে আসা হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মাদক নিয়ন্ত্রন আইনে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

এস আই প্রদ্যুৎ ঘোষ চৌধুরী জানান, ‘চেক পোস্ট দেকে অনেক দূরে প্রাইভেট কার থেমে দুই জন লোক বেড়িয়ে যায় তখন উভয় দিক থেকে কয়েকটি গাড়ী আসা যাওয়া করে সাথে সাথে আমরা প্রাইভেট কারটি কাছে যাই এবং তল্লাশি করে এক পর্যায়ে সিলিন্ডারের নিছের খালি জায়গায় ফেন্সিডিলের বোতলগুলো পাই।

পরে গাড়ীতে থাকা মানুষ পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা জানান, পুলিশ দেখে কার থেকে নেমে দুই লোক সিলেট গামী একটি বাসে উঠে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম আতাউর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আউশকান্দি এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়।

পুলিশের উপস্থিতি দেখে প্রাইভেট কারটি রেখে পালিয়ে যায় মাদক ব্যবসায়ীরা। পরে কার তল্লাসী করে ৩শ ২০ পিস ফেন্সিডিল পাওয়া যায়। উদ্ধারকৃত ফেন্সিডিলের মূল্য দেড় লক্ষ টাকা হবে বলে জানান ওসি।

সিলেটের সংবাদ ডটকম: সিলেটের ওসমানীনগরে জয়ের পথে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ময়নুল হক চৌধুরী।

সোমবার (৬মার্চ) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১০টি কেন্দ্র মিলিয়ে ধানের শীষ মার্কা নিয়ে ময়নুল হক চৌধুরী পেয়েছেন ৩৮২৮ ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ঘোড়া মার্কা নিয়ে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আখতারুজ্জামান চৌধুরী জগলু পেয়েছেন ৩২০৭।

এছাড়া নৌকা মার্কা নিয়ে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী আতাউর রহমান পেয়েছেন ১৪৫২ ভোট এবং লাঙ্গল মার্কা নিয়ে পেয়েছেন ৬৫৮ ভোট।

সিলেটের সংবাদ ডটকম: সিলেটের ওসমানীনগর ও সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের কয়েকটি কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে রয়েছে বিএনপির প্রার্থীরা।

এরমধ্যে ওসমানীনগরের ৫২ কেন্দ্রের মধ্যে ৮টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে চেয়ারম্যান পদে এগিয়ে আছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ময়নুল হক চৌধুরী।

ধানের শীষ প্রতিকে ওসমানীনগরের মইনুল ইসলাম পেয়েছেন ৩০৯৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. আখতারুজ্জামান চৌধুরী জগলু ঘোড়া প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ২২৫৭ ভোট।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ১১৮৫ ভোট এবং লাঙ্গল মার্কা নিয়ে পেয়েছেন ৫৫৪ ভোট। এছাড়া জগন্নাথপুরের একটি কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আতাউর রহমান।

স্থানীয় সৈয়দপুর শাহারপাড়া কেন্দ্রের প্রকাশিত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতিকে তার প্রাপ্ত ভোট ১১৩২। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে নৌকা প্রতিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আকমল হোসেন পেয়েছেন ৩৭২। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মুক্তাদির আহমদ মুক্তা পেয়েছেন ৪৮ ভোট। সোমবার সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতীহীনভাবে উপজেলা দুটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

0 8

সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলন ১৩৬তম ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) সম্মেলন। আর এ সম্মেলনের পুরো নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে ডিএমপি। নিরাপত্তায় মোতায়েন করা হবে আট হাজার পোশাকধারী পুলিশ সদস্য।

সোমবার ডিএমপি সদর দফতরে আইপিইউ সম্মেলনের নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সমন্বয় সভায় কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, আগামী ২৯ মার্চ থেকে শুরু হয়ে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এ সম্মেলন।

সম্মেলনে প্রায় ১৪শ’ বিদেশি অতিথির অংশ নেবেন। আগত অতিথিদের জন্য নির্ধারিত হোটেল, সম্মেলনস্থলসহ প্রত্যেকটি ভেন্যু সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আছাদুজ্জামান মিয়া সম্মেলন সফল করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, আমাদের দেশে বিগত সময়ে যে সকল আন্তর্জাতিক ইভেন্ট আমরা সফলভাবে সম্পন্ন করেছি তারই ধারাবাহিকতায় এ আইপিইউ সম্মেলন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা নেয়া হবে।

১৩৬তম আইপিইউ সম্মেলন সফল করা শুধুমাত্র আয়োজক কমিটি সংসদ সচিবালয়ের একার নয়। এটা আমাদের সবার দায়িত্ব। দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে ও আন্তর্জাতিক আঙিনায় বাংলাদেশের সুনাম বজায় রাখতে সবাইকে একসঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। শুধুমাত্র ব্যবসায়িক মনোভাব পোষণ না করে দেশাত্ববোধের কথা মাথায় রেখে আগত বিদেশি অতিথিদের সেবা প্রদানের জন্য হোটেল মালিকদের প্রতিও আহ্বান জানান তিনি। এ সময় সভায় বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: পলাতক থাকা অবস্থায় পত্রিকা সম্পাদনার অভিযোগ মামলায় শিল্পপতি রাগীব আলী ও তার ছেলে আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে রায় আগামী বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) ঘোষণা করা হবে।

সিলেট মুখ্য মহানগর হাকিম সাইফুজ্জামান হিরোর আদালত আজ সোমবার এই রায়ের তারিখ ধার্য করেছেন। আদালতের এপিপি মাহফুজুর রহমান জানান, আজ আদালতে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের তারিখ ধার্য করা হয়েছে।

গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জের ছাতক প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য গিয়াস উদ্দিন তালুকদার শিল্পপতি রাগীব আলী ও তার ছেলে আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে পলাতক থাকা অবস্থায় পত্রিকা সম্পাদনার অভিযোগে মামলা করেন। মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছিলেন, তারাপুর চা বাগান সংক্রান্ত দুটি মামলায় রাগীব আলী ও তার ছেলে পলাতক রয়েছেন।

কিন্তু পলাতক থাকা অবস্থায়ও তারা ‘দৈনিক সিলেটের ডাক’ পত্রিকা সম্পাদনা করে আসছেন। ওই সময় রাগীব আলী সিলেটর ডাক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি এবং আবদুল হাই সম্পাদক ছিলেন। মামলার পর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছিলেন। তবে সমনের জবাব না দেওয়ায় গত বছরের অক্টোবরে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

প্রসঙ্গত, সিলেটের তারাপুর চা বাগান দখল সংক্রান্ত দুটি মামলায়ও রাগীব আলী ও তার পরিবারের পাঁচ সদস্য অভিযুক্ত। তন্মধ্যে একটি মামলায় রাগীব আলী ও তার ছেলের ১৪ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। অপর মামলায় রায়ের তারিখ ধার্য করা হলেও উচ্চ আদালতের নির্দেশে ১৫ মার্চ পর্যন্ত তা স্থগিত রয়েছে।

0 96
সিলেটের সংবাদ ডটকম: আজ বুধবার অগ্নিঝরা মার্চের প্রথম দিন। নানা কারণে মার্চ মাস অন্তর্নিহিতি শক্তির উৎস হয় বাঙালির জীবনে। এ মাসেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন...

0 440
সিলেটের সংবাদ এক্সক্লুসিভ: এবার ফাঁস হলো পাসপোর্ট, স্ট্যাম্প, ভিসা, দলিল জালজালিয়াতি চক্রের সদস্য, সিলেট মিড়াপাড়ার মৃত সৈয়দ আলী আহমেদের ছেলে সৈয়দ শাহজাহান আহমদের চেক...