নভেম্বরে বাংলাদেশে সিপিএ সম্মেলন

0
166

সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) ১৩৬তম সম্মেলন  সফলভাবে শেষ হয়েছে।  এ সম্মেলনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার সিপিএ সম্মেলন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

আসছে  নভেম্বরে সিপিএ সম্মেলন আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদের স্পিকার ও কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ) নির্বাহী কমিটির চেয়ারপারসন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নভেম্বরে বাংলাদেশ সিপিএ  সম্মেলন আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে।

সিপিএ সম্মেলনে আইপিইউ সম্মেলনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হবে। বৃহস্পতিবার আইপিইউ’র সেক্রেটারি জেনারেল মার্টিন চুংগং ও পার্লামেন্টস ফর নিউক্লিয়ার নন- প্রোলিফারেশন অ্যান্ড ডিসআর্মামেন্টের (পিএনএনডি) প্রতিনিধি দল সংসদে ভবনে সাক্ষাৎ করলে তিনি এ কথা বলেন। স্পিকার বলেন, ১৩৬তম আইপিইউ অ্যাসেম্বলি সফলভাবে আয়োজন করতে পেরে বাংলাদেশ সত্যিই গর্বিত।

এ অ্যাসেম্বলির বড় প্রাপ্তি হলো আন্তর্জাতিক মানের অ্যাসেম্বলি আয়োজনের সামর্থ্য যে বাংলাদেশের আছে তা বিশ্ব পরিমণ্ডলে অবগত করা। তিনি বলেন, সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণ ও স্বাধীন কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করাসহ বেশ কয়েকটি প্রস্তবনা গ্রহণ করা হয়েছে। যা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বকে সুরক্ষা দানে ভূমিকা রাখবে।

ঢাকা ঘোষণায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বৈষম্য কমানো, মানবাধিকার সুরক্ষা, আইনি কাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিতের মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে যা সকল দেশের মানুষের কল্যাণে আইপিইউ`র কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে। আইপিইউ সেক্রেটারি জেনারেল মার্টিন চুংগং ১৩৬তম আইপিইউ সম্মেলন সফল আয়োজনের জন্য স্পিকার ও সম্মেলনের সভাপতি ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, এ সম্মেলনের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে। সাক্ষাতকালে পিএনএনডি’র প্রতিনিধি দলের প্রধান মনি শংকর আয়ার বলেন, পারমানবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব বিনির্মাণে সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এ জন্য তিনি বিশ্বের সকল দেশের সহযোগিতা কামনা করেন। স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ অস্ত্র প্রতিযোগিতায়  নয়, জনগণের কল্যাণে বিশ্বাস করে।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের জন্য অন্যতম পূর্বশর্ত বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা। রাজনৈতিক অঙ্গীকার অর্থনৈতিক ভিতকে শক্তিশালী করতে পারে। বাংলাদেশ সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ইতিবাচক কর্মসূচিসহ বিশ্বের সকল দেশের সংসদসমূহ সোচ্চার হলে শান্তিময় বিশ্ব গড়ে তোলা সম্ভব। আর তখনই পারমানবিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ কর্মসূচি সফল হবে। সাক্ষাৎকালে অন্যান্যের মধ্যে বৃটেন, জাপান, ভুটান ও নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ এমপি, হুইপ মো. আতিউর রহমান আতিক এমপি, হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি, মইন উদ্দীন খান বাদল এমপি, ডা. দীপু মনি এমপি, আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন এমপি, সাবিনা আক্তার তুহিন এমপি, মাহজাবিন খালেদ এমপি, কাজী নাবিল আহমেদ এমপি, ওয়াসিকা আয়েশা খান এমপি, মো. ফখরুল ইমাম এমপি এবং মাহজাবিন মোর্শেদ এমপি উপস্থিত ছিলেন।

(Visited 4 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here