সিলেটের সংবাদ ডটকম এক্সক্লুসিভ: সিলেট জেলার সদর উপজেলার ৫ নং টুলটিকর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের পুর্ব শাপলাবগ এলাকায় জাল দলিল বানিয়ে একজনের জায়গা অন্যজনের কাছে বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

আর এ কাজে ভূমি অফিসের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্হানীয় কয়েকজন জড়িত থাকার তথ্য অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে।

অপরদিকে জালিয়াতি চক্রের এমন জালিয়াতিতে পড়ে অসহায় এক পুলিশ কর্মকতার পরিবার। ঘটনা ঘটেছে পুর্ব শাপলাবগ এলাকার (নাম প্রকাশ না করার শর্তে) এক গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তার সাথে।

জানা যায়, সিলেট জেলা পুলিশের একজন কর্মকর্তার কাছে জাল দলিল তৈরী করে বিক্রি করেন সিলেটের নামকরা জাল দলিল জালিয়াত চক্রের সদস্য পুর্ব শাপলাবাগের মৃত সোনা মিয়া ছেলে মাহবুবুর রহমান মখন, শাপলাবাগ ২ নং রোডের মৃত হাফিজ আব্দুল কাদিরের ছেলে ছরওয়ার আহমদ, ছাব্বির আহমদ, টিলাগড় কল্যানপুরের মৃত জৈন উদ্দিনের ছেলে সাহাবুদ্দিন, কালাশিলের মৃত তছলিম আলীর ছেলে মো: আশিক মিয়া, কল্যানপুরে আনছার উদ্দিন আজহারির ছেলে হাবিব আহমদ, ‌কল্যানপুরের মৃত মনু মিয়ার ছেলে ছেরাগ আলীসহ বেশ কয়েকজন জালিয়াত চক্র।

নিজের জীবনের সবটুকু আয় দিয়ে জায়গা কিনে এখন তিনি পড়েছেন মহাবিপদে। তার উপর করা হয়েছে মামলা। আর সে জন্য তিনি এখন প্রায় অসহায় অবস্হায় দিনাতিপাত করছেন। অপর দিকে তার এ মামলার কারনে চাকরি যায় যায় অবস্হা।

ওই জালিয়াতি চক্র দলিল জালিয়াতি করে অন্যের জায়গা ওই পুলিশ কর্মকর্তার কাছে বিক্রি করে। পরে জায়গার আসল মালিক জানতে পেরে পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঐ পুলিশ কর্মকর্তা জানান তিনি জায়গা কেনার পর থেকে তার পরিবারকে নিয়ে উক্ত জায়গায় বসবাস করে আসছেন।

পরে তিনি জানতে পারেন তিনি যে জায়গা কিনেছেন তা জাল দলিলের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ঐ জায়গার মালিক লন্ডন প্রবাসী। এ খবর শুনে তিনি যাদের কাছ থেকে জায়গা কিনেছেন তাদেরকে বিষয়টি জানান। কিন্তু ঐ চক্র তার কথায় কোন কর্ণপাত না করে তাকে বলে আপনি এর সমাধান দেন।

এক পর্যায়ে জায়গার আসল মালিক ঐ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন। এমনকি পুলিশের উচ্চ পর্যায়েও তার বিরুদ্ধে তিনি নালিশ দেন। যার কারনে এখন ঐ পুলিশ কর্মকর্তা অসহায় হয়ে পড়েছেন। বিস্তারিত আসছে…………………………………..

(Visited 1 times, 1 visits today)

1 COMMENT

  1. আছ-ছালামু-ওয়ালাইকুম,
    জনাব,
    গত পহেলা এপ্রিল’২০১৭ইং রাত সাড়ে নয়টায় আমার বাবা ইন্তিকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া-ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। কিন্তু আমি শারিরীক প্রতিবন্ধি হওয়ায় বাবার মৃত্যূ সংবাদটি আমাকে না জানিয়েই আমার বড় বোনেরস্বামী উনার বাড়িতে বাবাকে দাফনের ব্যবস্থা করেন। পরেরদিন অনুমানিক সকাল সাড়ে দশঘটিকার সময় মসজিদে অস্পষ্ট মাইকিং ও প্রতিবেশি লোকজনের মাধ্যমে জানার পর বাবাকে দাফন করায় সহযোগিতার অনুরোধ করে বাড়ির চাচাতভাই, ভাতিজা নিয়ে গিয়ে বাবার লাশ আনতে চাইলে, আমি বাবার একমাত্র ছেলে হওয়ার পরও আমাকে বাবার মুখ দেখার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়। এমনকি কিভাবে মারা গেছেন তাও আমি জানতে পারিনি। বাবার কাছ থেকে নাকি বোনের জামাই স্বাক্ষর নিয়ে রেখেছেন, চুষেখেয়ে লাশ করার পর ছেলের জিয়ারত ও বাবা যে স্থানে ছোট থেকে বড় হয়েছেন সেখানকার মানুষের জিয়ারত থেকে বঞ্চিত রাখা হবে। এটা লিখিত নিতে কি বাবার মৃত্যূ ঘটেছে। এতদিন আমি একাঘরে অনাহারে অর্ধাহারে কষ্টে থাকলেও খবর নিয়ে যখন জানতাম মা-বাবা ভাল আছেন তখন আমার কষ্টকেও সুখ মনে করতাম। বাবার প্রাপ্ত (অবসরপ্রাপ্ত পোষ্টমাষ্টার) অবসরকালীন পেনশনের টাকা ও আমেরিকা থেকে মা-বাবার জন্য পাঠানো বৈদেশিক রেমিটেন্সের টাকা ভোগ করে আমার বোনের স্বামী স্বচ্ছল জীবনযাপন করে বাবা-মায়ের টাকায় উনার বাড়িতে বিল্ডিং তৈরী করে সুখ দিতে চেয়েছেন, উনার কর্মের ফলাফল যেন আল্লাহ উনাকে দান করেন। এ গুলো আমার দ্বায়িত্ব ছিলো আমাকে যখন আল্লাহ দ্বায়িত্ব পালনে সক্ষমতা দান করেননি। তাহলে বাবামাকে তখন বাড়িতে নিয়ে এসে বোনের স্বামীর সুখ নষ্ট করার অভিশাপে অভিশপ্ত হওয়াটাকে উচিত মনেকরিনি এবং বয়বৃদ্ধ বাবাকে নিয়ে টানাটানি করে কষ্ট দিতেও আমি চাইনি।
    উল্লেখ্য যে, আমার চলাফেরার অক্ষমতার সুযোগে বয়সেরভারে ভারসাম্যহীন বাবা ও অসহায় মাকে অজানা ভয় দেখিয়ে প্রতিবেশিদের সহযোগিতায় গত ২২ মার্চ’১৪ং থেকে বাবা-মাকে আমার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে বোনের বাড়ীতে নিয়ে গিয়ে আমাকে একাঘরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অনাহারে অর্ধাহারে থাকতে বাধ্য করে আমার মৃত্যূর প্রহর গুনছিলেন। জিডি নং- ১১৮৩/২৫-০৬-২০১৪ইং যা প্রায় সবাই অবগত। যাক বর্তমানে আমার উপর চলা নির্যাতনের প্রতিকার চাওয়াটা আমার লক্ষ্য নয়।
    এখন আমার একমাত্র লক্ষ্য আমার জীবনের বিনিময়ে হলেও আমি রাজি, বাবার কবরটি স্হানান্তর করে এনে, পারিবারিক কবর স্হানে দাফনের করা।

    এ বিষয়ে আপনার একান্ত সহযোগিতা ও আপনার আইডিতে পোষ্টের মাধ্যমে দেশের বিবেকবান ব্যক্তিবর্গের দোওয়া সহযোগিতা কামনা করছি।

    নিবেদক,
    রাজু আহমদ
    চান্দাই মাঝপাড়া, দক্ষিন সুরমা, সিলেট।
    মোবাইল- 01711348001.

Leave a Reply