“খাদ্য শশ্যের অভাব নেই, লাইনে দাড়িয়ে চাউল নাই”

0
28

জামালগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:  ওমেক না ওমলেস ইতা বুঝি না দরকার পাঁচ কেজি চাউল ইডা ও পাই না। হেই দিন যে বড় তোপান আইছিল আমরার বাড়িডা সিধা ইলাখান ইলাকান মরমর করছিল।

মনে হইছিল আইজ তোফানে বাড়িটা উরাইয়া লইয়া যাইব। হাওরের ফসল ত লইয়া গেছে আশাঁ আছিল জাল নৌকা দিয়া হাওরে মাছ ধইরা বাচুম, কিন্তু হেও নাহি পানির মাঝে কি বিষ অইয়া গেছে এর লাইগা জাল নৌকা বানাইয়া টাকা গেল মাইড়, এহন কি যে করুম করার আর কুন্তা নাই।

খাওনের আশায় হেই ভোর সকাল বেলা লাইনে আইয়া উবাইয়া থাহি ৫ কেজি চাউলের আশায়, বেলা বাড়লে মানুষ বাড়ে কোন সেরিয়াল পাই না। মাঝে মাঝে চাইল পাইলে ও উজুনে কম থাকে, কোন কথা কইলে বেড়াগরা হাত থাইকা চাউল রাইক্ষা কয় আই সো গুড লাউড আমি ইতা ইংরাজি বুঝি না।

ইতা চাইল যদি গেরামে গেরামে দিত কোন বেজাল পাইত না। আমার কথাডা পারলে পরতিকায় লেইকেন। হাওরের ফসল নৌকা জাল হারিয়ে বির বির করে কথা গুলো বলছিলেন হাওর পারের এক কৃষকের পরিবার। প্রতিদিনই দুর দুরান্ত থেকে এসে এভাবেই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ওএম এস এর চাউল নিতে আশা সাধারন জনগনের।

শুধু তাই না এর জন্য প্রয়োজন নতুন ডিলার নিযোগ দিয়ে ফসল হারা কৃষক পরিবারের সহয়োগীতা করা। অপর দিকে লক্ষ করা যায় প্রতিদিনই একটি ডিলার পয়েন্ট থেকে ২০০জন কে চাউল দেওয়ার কথা থাকলে ও লাইনে লোক থাকে প্রায় ১৫০০শত জন। কে কার আগে চাউল নিবে এই প্রতিযোগীতায় শুরু হয় বড় ধরনের ঝগড়া। জামালগঞ্জে ডিলারের সংখ্যা কম থাকায় সমস্যা ও দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে জামালগঞ্জে ফসল হারা প্রায় ২লক্ষ কৃষক পরিবারের।

কৃষকগন জানান,শুনি খাদ্য শশ্যেরও অভাব নাই কিন্তু লাইনে দাড়িয়ে সরকার কর্তৃক নির্ধারীত দামের চাউল পাই না। সরকার যদি ইউনিয়নের ওয়ার্ড ভিত্তিক ডিলার দ্বারা প্রতিদিন ন্যায্য মূল্যে চাউল বিতরণ করেণ তবে এ সমস্যা সমাধান সম্ভব বলে মনে করেন কৃষক পরিবার। তবে সরকার যেন পর্যাপ্ত ডিলার নিয়োগ করে ওএম এস এর চাউল বিতরনে সমান সুয়োগ দেন সর্বস্তরের মানুষের দাবী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here