যুক্তরাজ্য প্রবাসী মহিলার মামলায় আটক এমরানসহ ৪ জনকে ৫ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

0
264
আটক এমরান

সিলেটের সংবাদ ডটকম: চাঁদাবাজিসহ সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত এমরানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গ্রেফতারকৃত ৪ জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে পুলিশ।

যুক্তরাজ্য প্রবাসী একজন মহিলার দায়েরকৃত মামলার প্রেক্ষিতে গত সোমবার রাতে সিলেট মহানগরীর কালিবাড়ী এলাকা থেকে কোতোয়ালী থানা পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে- নগরীর কালিবাড়ির আফতাব আলীর ছেলে এমরান, নগরীর পনিটুলা এলাকার বাসিন্দা কবির আহমদ ওরফে কাজী কবির, নেহারীপাড়ার হানিফ আহমদ ও হাওলদারপাড়ার হরমুজ আলীর ছেলে সোহেল আহমদ।

সিলেট কোতোয়ালী থানার সেকেন্ড অফিসার আজিম পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্য প্রবাসী এক মহিলার দায়েরকৃত মামলার প্রেক্ষিতে এমরানসহ চারজনকে গত সোমবার রাতে গ্রেফতার করা হয়।

তাদেরকে মঙ্গলবার দ্রুত বিচার আদালতে হাজির করে ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। আজ বুধবার রিমান্ডের ওপর শুনানী অনুষ্ঠিত হবে। পুলিশ জানায়, এমরানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে জালালাবাদ থানায় দুটি এবং কোতয়ালী থানায় একটি মামলা রয়েছে।

মামলার বিবরণীতে বলা হয়, সিলেটের মদীনা মার্কেট এলাকার নিবাস বি/২৭ এর বাসিন্দা যুক্তরাজ্য প্রবাসী আলতাব আলীর স্ত্রী রঙ্গুল বেগম পরিবারসহ প্রবাসে অবস্থান করেন। দেশের বাইরে অবস্থান করায় বাসা ও মদীনা মার্কেটের আফতাব ম্যানশন সংলগ্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দেখাশুনা করেন তার ভাগনা সৈয়দ কাউসার হোসেন।

গত কয়েক মাস ধরে ইমরান তার সহযোগীদের নিয়ে কাউসারের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলো। এজন্য প্রায়ই তাকে প্রাণনাশসহ বাসাবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলের হুমকিও দিচ্ছিল। পরবর্তীতে কাউসার নিরূপায় হয়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা প্রদান করেন। রঙ্গুল বেগম আরো অভিযোগ করেন, চাঁদা পাওয়ার পরও এমরান মাসিক ১৫ হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করে প্রায়ই কাউসারকে হুমকি-ধমকি দিতো।

দেশে ফেরার পর বিষয়টি স্থানীয় কাউন্সিলর মখলিছুর রহমান কামরানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবগত করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে এমরান অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার সহযোগীদের নিয়ে রঙ্গুল বেগমের বাসায় হামলা করে এবং মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে মাসিক ১৫ হাজার অন্যথায় এককালীন ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।

প্রাণ রক্ষার্থে মহিলা ও তার ভাগনা দু’তিনদিনের মধ্যে টাকা দেয়ার কথা জানালে এমরান ও তার সহযোগীরা চলে যায়। তবে, পুরো ঘটনাটি মোবাইলে রেকর্ড করেন মামলার বাদী রঙ্গুল বেগম। প্রমাণ হিসেবে তা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন তিনি। পুলিশ অভিযোগটি দ্রুত বিচার আইনে রেকর্ড করে আসামীদের গতকাল মঙ্গলবার আদালতে প্রেরণ করে। মামলার নং-কোতোয়ালী থানা জিআর-২৫/২০১৭, তারিখ- ২৪/০৪/২০১৭ইং।

(Visited 1 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here