বড়লেখায় স্কুলছাত্রী অপহরণের ২৩ দিন পর গাজীপুর থেকে উদ্ধার

0
230

নজরুল ইসলাম, (বড়লেখা প্রতিনিধি): বড়লেখার দশম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী আনিশা (১৬) অপহরণের ২৩ দিন পর বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুরের শ্রীপুর থানা এলাকা থেকে বড়লেখা থানার এসআই অমিতাভ দাশ তালুকদার অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার এবং অপহরক একই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র জোবায়ের আহমদ নয়নকে (১৮) গ্রেফতার করেছেন।

নয়ন উপজেলার হরিপুর গ্রামের মনির উদ্দিনের ছেলে। তবে এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে স্কুলছাত্র নয়ন ও আনিশা একে অপরকে ভালবেসে ঘর বাঁধার স্বপ্নে গত ১৭ এপ্রিল দুইজন ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় আনিশার মা লায়লা ফেরদৌসী মেয়ে অপহরণের অভিযোগে নয়নসহ পাচজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেন। থানা পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিণভাগ দ. ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের লায়লা ফেরদৌসীর দশম শ্রেণী পড়ুয়া মেয়ে আনিশা রহমানকে নিয়ে গত ১৭ এপ্রিল বাড়ির সামনে কাজের লোকের কাজকর্ম তদারকি করছিলেন।

এসময় একটি সাদা নোহা গাড়ি নিয়ে জোবায়ের আহমদ নয়ন কয়েক ব্যক্তিকে নিয়ে জোরপুর্বক মেয়ে আনিশাকে গাড়িতে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায়। এঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা লায়লা ফেরদৌসী গত ২১ এপ্রিল জোবায়ের আহমদ নয়ন, গিয়াস উদ্দিন, নাজমা বেগম, মনির আলী ও চিতন বেগমকে আসামী করে থানায় মেয়ে অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

মামলা প্রেক্ষিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বড়লেখা থানা পুলিশ ঢাকার শেরেবাংলা নগরে ব্যর্থ অভিযান চালায়। অবশেষে এসআই অমিতাভ দাস তালুকদারের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার বিন্দুবাড়ি এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে স্কুলছাত্রী আনিশাকে উদ্ধার ও অপহরক নয়নকে গ্রেফতার করা হয়।

এলাকাবাসী সুত্র জানায়, একই স্কুলের নবম ও দশম শ্রেণীর ছাত্র নয়ন ও আনিশার মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। একে অপরকে ভালবেসে তারা অজানার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। এর আগেও তারা পালানোর চেষ্টা করে ধরা পড়েছে।

বড়লেখা থানার ওসি (তদন্ত) দেবদুলাল ধর অপহরণের ২৩ দিন পর গাজীপুর থেকে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার ও অপহরক স্কুলছাত্র নয়নকে গ্রেফতারের সত্যতা স্বীকার করে জানান, ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য ভিকটিমকে শুক্রবার বিকেলে জেলা সদর হাসপাতালে এবং গ্রেফতারকৃতকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

(Visited 4 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here