ফেসবুকে ফুলতলীকে নিয়ে ‘কটুক্তি’ : হামলায় আহত ৫

1
3253

সিলেটের সংবাদ ডটকম: ফেসবুকে ফুলতলীকে নিয়ে ‘কটুক্তি’র জেরে জকিগঞ্জে ফুলতলী মাদ্রাসা ও এতিমখানার ছাত্র-শিক্ষকরা মিলে উপজেলা ছাত্রলীগের উপ-পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হাসিব চৌধুরীর বাড়িতে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।

এতে নারী-শিশুসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

হামলায় গুরুতর আহত গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, স্কুলছাত্রী তানজীনা আক্তার চৌধুরী, সহকারী শিক্ষিকা সীমা চৌধুরী, শিশু মিফতাউল ইসলাম, আয়শা পারভীনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল হাসিব চৌধুরীকে ‘খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না’ বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

এ নিয়ে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। গ্রামবাসী জানান, ফুলতলী স্পোর্টিং ক্লাব নামক ফেসবুক আইডির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে উপজেলা ছাত্রলীগের উপ-পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হাসিব চৌধুরীর বাড়ির ৩টি ঘরে হামলা চালিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুদের মারধর এবং ঘরের আসবাবপত্র তছনছ করে ফুলতলী মাদ্রাসা ও এতিমখানার ছাত্র-শিক্ষকরা।

তাদের হামলা থেকে বাদ যায়নি গাছপালা ও হাঁস-মুরগীও। ফুলতলী গ্রামের কমর উদ্দিন, ফারুক আহমদ, হাফিজ জোবায়ের আহমদ চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, ‘ফুলতলী সাহেব বাড়ির  ইন্ধনে পাঁচ শতাধিক ছাত্র-শিক্ষক  ন্যাক্কারজনক হামলা চালায়। হামলার পর থেকে এ ব্যাপারে বাড়াবাড়ি না করতেও ফুলতলীর সাহেব বাড়ির লোকজন হুমকি ধামকি দিচ্ছে।

এ জন্য মামলা করতেও ভয় পাচ্ছে আহত ও ক্ষতিগ্রস্থরা।’ এলাকাবাসী এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন। এ ব্যাপারে ফুলতলী এতিম খানার শিক্ষক আব্দুল মুকিত বলেন, ‘ফেসবুকে মন্তব্যের বিষয়টি বৃহস্পতিবার রাতে বিচার বৈঠকের মাধ্যমে সমাধান হলেও ছাত্ররা এ বিচারে সন্তুষ্ট না হয়ে আমরা কিছু বুঝে উঠার আগেই হামলা চালায়।

এ ব্যাপারে আল্লামা ফুলতলী পীরের ছেলে মাওলানা ফারুক আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘এতিমখানার ছাত্ররা একটি হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।

স্থানীয় মানিকপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহতাব আহমদ চৌধুরী জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার এ ঘটনা ঘটেছে। জকিগঞ্জ থানার ওসি হাবিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে বলেন, এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

1 COMMENT

  1. দলই করুক,ইমাদ উদ্দীন চৌধুরী সাহেব জাদায়ে ফুলতলী একজন সম্মানিত ও সর্বজন স্বীকৃত আলেমে দ্বীন। কিন্তু তাই বলে উনি তো কাউকে বলেন নাই যে তোমরা আমার হয়ে অমূকের ঘর বাড়ি ধ্বংস করে দাও? যে বা যারা অতি উৎসাহিত হয়ে এই রকম ন্যাক্কারজনক কাজ করেছে তাদের উচিৎ বিচার হওয়া জরুরী নতুবা সর্বোপরী সমালোচনা তো বড় সাহেব হুজুরেরই হবে নাকি? তাই এই হামলার পক্ষে সাফাই গাওয়া মানে বড় সাহেবের দুশমনি করার নামান্তর…..!!! শিবির হোক আর যাই হোক,তাই বলে কি তার বাড়ি ঘর গাড়ি ভাঙ্গতে হবে,মা বোন শিশুদের কে মারতে হবে? বড় সাহেব তো এই গুলার অনুমতি কখনো দেন নাই,দিবেন না,দিতে পারেন না?? আর যে সকল বদমাইশ ছেলে বড় সাহেবের অধীনে থেকে লুচ্ছামি করে তাদের তো বিচার হওয়া দরকার।কেননা,তাদের কারনে তো বড় সাহেবের বদনাম হচ্ছে। বাহার নামক যে বদমাইশ টা মুসলিম হ্যান্ডসে কাজ করে,সে তো প্রতিনিয়ত বদমাইশি করে তারপরও তাকে কেনো এবং কার্ ইন্ধনে এখানে রাখা হচ্ছে তা আমার বুঝে আসেনা।। অথচ,বিদেশ থেকে মানুষ টাকা দান করে এতিমদের জন্য,আর এই বদমাইশটা নিজের পকেট ভরে আর এই টাকা দিয়ে বদমাইশি করে? তা তো কারো অজানা থাকার কথা নয়?? এতিম ছেলে মেয়েদের মা বোনদের নাম্বার কালেক্ট করে তাদের সাথে অবৈধ দৈহিক সম্পর্ক করে,তা অনেকে জানা সত্ত্বেও এর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছেনা কেনো? এই বদমাইশদের কারনেই আমাদের সম্মানিত সাহেবজাদাদের মান সম্মান নষ্ঠ হচ্ছে।সাহেব বাড়ির বদনাম হচ্ছে।কিন্তু কার্ ইশারায় বাহার আহমদ লাছু উরফে টেরামাইসিন এখনো বহাল তবিয়তে তার বদমাইশি কাজ চালিয়ে যাচ্ছে?? তাই সব কিছুর আগেই এই বদমাইশটার প্রকাশ্যে বিচার হওয়া জরুরী,তাহলেই তো আমাদের সিলেট তথা বাংলাদেশের গর্ব আল্লামা ফুলতলী (রঃ) এর বাড়ির এবং এলাকার সবার মান সম্মান অক্ষুন্ন থাকবে।।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here