যে কারণে ইফতারে অবশ্যই খেজুর রাখবেন

0
245

সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: একজন রোজাদারের সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্ত ইফতারের সময়। তাই সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের আয়োজনে থাকে হরেক রকমের পসরা। তার মধ্যে থাকে খেজুর।

রমজান মাসে এই খাদ্যটি বিশেষ কল্যাণ নিয়ে আসে। এ কারণেই বিশ্বজুড়ে রমজান মাসে মুসলমানরা ইফতারিতে খেজুর আর পানি রাখেন। অনেকই আবার খেজুরকে অবহেলা করে রাখেন না। হাদিসে বলা হয়েছে খেজুর দ্বারা ইফতার করা মুস্তাহাব।

আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাতের পূর্বে তাজা খেজুর দ্বারা ইফতার করতেন। যদি তাজা খেজুর না পাওয়া যেত তবে শুকনো খেজুর দ্বারা ইফতার করতেন। যদি শুকনো খেজুর না পাওয়া যেত তাহলে কয়েক ঢোক পানি দ্বারা ইফতার করতেন।

(বর্ণনায় : আহমদ) যে কোনো ফলের চেয়ে খেজুরের পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। অত্যন্ত পুষ্টিকর এই খাবারটি সারা দিন আমাদের দেহে যে পুষ্টিগত শূন্যতার সৃষ্টি হয়, তা অনেকাংশে পূরণ করতে পারে। এই খাবারটির মাধ্যমে এনার্জি মাত্রা, চিনি আর রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

খেজুরে অ্যামিনো এসিড, প্রচুর শক্তি, শর্করা ভিটামিন ও মিনারেল প্রভৃতি উপাদান রয়েছে। রোজায় দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকার কারণে দেহে প্রচুর গ্লুকোজের ঘাটতি দেখা দেয়। তখন এই উপাদানগুলো শরীরের প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। খেজুর শারীরিক দুর্বলতা দূর করে শক্তি বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

তাই সারা দিনের ক্লান্তি দুর করতে প্রতিদিন ইফতারে খেজুর রাখুন। এছাড়া খেজুর কর্মশক্তি বৃদ্ধি করে, ক্যানসার প্রতিরোধ করে, হৃদয়ের কর্মক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি রক্ত পরিশোধন করে, ক্ষুধার তীব্রতা কমিয়ে আনে, আঁশ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে, হাড় মজবুত করে ও হাড়ক্ষয়ের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করে, পেটের সমস্যা ও  মুখে রুচি  আনার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়, দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, খেজুরে বিদ্যমান ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এছাড়া রাতকানা রোগ প্রতিরোধেও এটি কার্যকর এবং প্রসব-পরবর্তী কোষ্ঠকাঠিন্য ও রক্তক্ষরণ কমিয়ে দেয়।

(Visited 4 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here