মেজরটিলার জাহানপুরে সামাদ মিয়ার বিরুদ্ধে টিলা কাটার অভিযোগ

0
205

সিলেটের সংবাদ ডটকম: পাহাড়-টিলা সিলেটের প্রকৃতিকে আলাদা বৈশিষ্ট্য দান করেছে। দেশের যেসব জেলা পর্যটনের স্বর্গভূমি হিসেবে পরিচিত সিলেট তার মধ্যে অন্যতম তার প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণেই। কিন্তু কিছু লোভী মানুষের জন্য এই মনোরম জনপদ টিলাশূন্য হতে চলেছে।

দেশের উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অসাধু প্রভাবশালীরা একের পর এক টিলা কেটে সিলেটের সহজাত সৌন্দর্যকে কেড়ে নিচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি মালিকানাধীন টিলা কেটে টিলাখোররা তৈরি করছে আলিশান বাড়ি ও রিসোর্ট।

আবাসিক প্রকল্পে বালুর বিকল্প হিসেবে ভরাটের জন্য ঢালাওভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে টিলার মাটি। এক সময় সিলেটের শাহি ঈদগাহ, টিভি গেট, বালুচর, বিমানবন্দর এলাকা, মেজরটিলা, খাদিমপাড়া, লাক্কাতুরা, শাহপরাণ, বটেশ্বর, পাঠানটুলা ইত্যাদি এলাকায় প্রচুর পাহাড় ও টিলা থাকলেও এসব এলাকা তার আপন বৈশিষ্ট্য হারিয়ে ফেলেছে।

পরিবেশবাদীদের আশঙ্কা, যে হারে টিলা কাটা হচ্ছে তাতে সিলেট অচিরেই টিলাশূন্য হয়ে পড়বে। টিলা কেটে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বাড়ি তৈরির ফলে দুর্ঘটনা ও মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিগত ২০১১ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর উচ্চ আদালত সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি ছয় উপজেলায় পাহাড়-টিলা কাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

কিন্তু তারপরও টিলা কাটা থেমে নেই। গত ২১ মে থেকে অদ্যাবধি সিলেট শহরতলীর ইসলামপুর এলাকার জাহানপুরে গোলাম নূরানী ও সৈয়দা মাছুমা খাতুনের মালিকানাধীন টিলাগড় মৌজার, জে এল নং-৯৫, এস এ খতিয়ান-১৩৩ ও ১৩৪, দাগ নং-৬১ টিলা থেকে ভূমির মালিকের ভাগনা সামাদ মিয়া (৩৪), পিতা-মৃত হাসমত আলী, সাং-কল্যাণপুর-১, নেহার মঞ্জিল, টিলাগড়।

তার মামা-মামী প্রবাসে থাকার সুবাদে তাদের অজ্ঞাতসারে উপরোক্ত খতিয়ানের ভূমির টিলা থেকে মাটি কেটে পার্শবতী এক প্লটের মালিকের নিকট আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দেদারছে মাটি বিক্রি করে চলছে। এ ব্যাপারে এলাকার সচেতন মহল সোচ্চার হলেও কোন লাভ হচ্ছে না। কাজেই সিলেটের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য রক্ষায় পাহাড় টিলা কাটা বন্ধ করতে হবে। এসব ব্যাপারে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দায়বোধের পরিচয় দেবেন এমনটিই আশা করছেন সচেতন মহল। সুত্র:- সুরমার ডাক

(Visited 12 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here