দোয়ারাবাজারে এক মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

0
113

সিলেটের সংবাদ ডটকম: দোয়ারাবাজারে এক মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের উপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে দোয়ারাবাজার উপজেলার রগারপাড় গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আলকাছ আলী এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার ছেলে ময়নুদ্দিন র্দীঘদিন ধরে স্থানীয় বাজারে মটরসাইকেলসহ বিভিন্ন পার্টসের ব্যবসা করে আসছে। পাশের গ্রাম খাইরগাঁও এর মৃত বারিক মিয়ার ছেলে আবুল খায়ের তার ছেলের কাছ থেকে বাকিতে পার্টস নেয়।

গত ৮ জুন দুপুর ১২টার দিকে ময়নুদ্দিন আবুল খয়েরের কাছে পাওনা টাকা চায়। এতে দু‘জনের কথাকাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে একই দিন দুপুর ২টার দিকে আবুল খয়ের, তার ভাই ফখরুল, মানিকসহ ৫/৬ জনকে নিয়ে এসে ময়নুদ্দিনের উপর হামলা চালায়। দা-চাকু ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে তাকে গুরুতর আহত করা হয়। সেখান থেকে স্থানীদের সাহায্যে তাকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তাদের পৈশাচিক হামলায় ময়নুদ্দিনের বাম হাতের হাড় ভেঙ্গে যায় এবং মাথায় মারাত্মক জখমের কারণে ৫টি সেলাই দিতে হয়। এখনো সে আশংকামুক্ত নয় বলে চিকিৎকরা জানিয়েছেন। এ ঘটনায় তিনি বাদি হয়ে দোয়ারাবাজার থানায় ফখরুল ইসলাম, মানিক মিয়া, নজরুল ইসলাম, খয়ের, আবিদ মিয়া ও আব্দুল আউয়ালসহ অজ্ঞাত আরো ৩/৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

নং ৮৬/১৭। মুক্তিযোদ্ধা আলকাছ আলী আরো বলেন, প্রভাবশালী মহলের সহযোগতিায় খয়ের গংরা মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে। তিনি বলেন, মামলা তুলে না নেয়ায় তার দুই ছেলে, চাচাতো ভাই ও ভাতিজাদের আসামি করে দোয়ারাবাজার থানায় মিথ্যা অভিযোগে মামলা দায়ের করে খয়েরের চাচা সুরুজ আলী। যার নং ৮৭/১৭।

এ মামলায় চিকিৎসাধীন ময়নুদ্দিনকেও আসামি করা হয়েছে। তিনি বলেন, মূলত হয়রানির উদ্দেশ্যে এবং ময়নুদ্দিনের উপর হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলাটি তুলে নিতে তারা এই মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। খয়েরদের ভয়ে স্থানীয় বাজারে ময়নুদ্দিনের দোকান পর্যন্ত খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।

তাঁর পরিবার নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান। মুক্তিযোদ্ধা আলকাছ আলী সন্ত্রাসীদের হাত থেকে তাকে ও তার পরিবারকে মুক্তি দিতে প্রধানমন্ত্রীসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

(Visited 2 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here