খাম্বার দখলে মহাসড়ক শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা

0
120

শোয়েব উদ্দিন, জৈন্তাপুর (সিলেট): সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক দুপার্শ্ব ড্রাম্পিং ইয়ার্ড হিসাবে ব্যবহার করছে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২। স্কুলগামী শিক্ষার্থী সহ জনসাধারন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা, যে কোন মুহুত্বে ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।

সরেজমিন ঘুরে এলাকাবাসীর সাথে আলাপ কালে জানা যায়- দীর্ঘ দিন হতে সিলেট তামাবিল মহাসড়কের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সম্মুখ হতে মা-কমিউনিটি সেন্টার পর্যন্ত প্রায় ১কিলোমিটার রাস্তার দুইপাশ্বের জন সাধারণ চলাচলের জায়গা দখল করে বিদ্যুতের খাম্বার ডাম্পিং ইয়ার্ড হিসাবে ব্যবহার করে আসছে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২।

এলাকাবাসী আরও বলেন খাম্বা রাখার ফলে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত সিলেটের ৩উপজেলার জনসাধারণ যানবাহনের মাধ্যমে চলাচল করছে, এছাড়া তামাবিল স্থল বন্দর এবং শ্রীপুর-জাফলং পাথর কোয়ারী হওয়ায় এ রোড দিয়ে কয়লা ও পাথরবাহী হাজার হাজার গাড়ী দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মালামাল পরিবহন করছে।

আর কোন লিংক রোড না থাকায় কারনে দরবস্ত ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের শিশু শিক্ষার্থী, স্কুল কলেজ, মাদ্রাসা পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রী সহ এলাকার জনসাধারন পায়ে হেঁঠে রাস্তার পার্শ্বে আসা যাওয়া করছে। কিন্তু গত কয়েক বৎসর হতে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ব্যবস্থাপক প্রায় ১কিলোমিটার রাস্তার দুই পার্শ্বে ড্রাম্পিং ইয়ার্ড হিসাবে খাম্বা রেখে জন দূর্ভোগ সৃষ্টি করে আসছে।

ফলে শিক্ষার্থী সহ জনসাধারন চলাচলে বিঘœ সৃষ্টি হচ্ছে। এনিয়ে কয়েকবার বিষয়টি সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ব্যবস্থাপকের কাছে এলাকাবাসী মৌখিক ভাবে জানালেও কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করে খাম্বা রাখার ড্রাম্পিং ইয়ার্ড হিসাবে ব্যবহার করছেন। অনুসন্ধানে যানা যায় খাম্বা রাখার জন্য সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ জায়গা ভাড়া নিতে হবে অনেক টাকা ব্যয় হবে।

তাই রাস্তার দুই পাশ্ব ব্যবহার করে খাম্বা রাখার কারনে ভাড়ার টাকা পরিশোধ করতে হয় না, নতুবা ভাড়ার টাকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ টাকা আত্মসাৎ করছেন। জনসাধারনের দূর্ভোগ সৃষ্টি করেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ খাম্বা রাখার ড্রাম্পিং ইয়ার্ড হিসাবে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের দুই পার্শ্ব ব্যবহার ফলে যে কোন মুহত্বে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটার আশংঙ্কা বিদ্যমান।

এলাকাবাসীর দাবী জনসাধারনের চলাচলের রাস্তা হতে অভিলম্বে খাম্বা সরিয়ে নেওয়ার জন্য। এ বিষয়ে জানতে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জিএম আবু হনিফ মিয়া ব্যবহৃত মোবাইল (০১৯১৬-৭০০০৭৭) ফোনে একাধিক বার ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এবিষয়ে জানতে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর পরিচালক এড্যাভোকেট আলতাফুর রহমান জানান- বিষয়টি দূঃখ জনক, আমি চলিত মাসের সমন্বয় সভায় উপস্থাপন করব।

(Visited 9 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here