সারী নদী ধ্বংস হয় যদি!!!

0
481

শাহিদ হাতিমী: বাংলাদেশ। বিচিত্র পৃথিবীর অপূর্ব সুন্দর একটি দেশ। যার আকাশটা উদার অসীম নীল। ভূমিটা সবুজ শ্যামল উর্বর সমতল। দেশটিতে আছে মাটির মমতা ভরা ঘরবাড়ি।

আছে প্রাণ জুড়ানো ফসলের হাসি। আছে তৈল, গ্যাস, পাথর তথা খনিজ সম্পদের ভান্ডার। আছে এদেশের মানুষগুলোর স্বতন্ত্র কিছু বৈশিষ্ট। আছে ঈদে-ঈদগাহে, কীর্তনে-মন্দিরে, পূঁজায়-গীর্জায় উৎসব পালনের স্বাধীনতা। আছে ধর্ম-বর্ণ, জাতি নির্বিশেষে মুক্তিযোদ্ধার চেতনায় স্বাধীনতা সংগ্রামে এক হওয়ার ঐতিহ্য।

আছে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে রক্ত দেয়ার অধ্যায়। আছে ভাষা আন্দোলনের সোনালী ইতিহাস। আছে মওলানা ভাসানীর দাবি, শেখ মুজিবের ভাষণ, জিয়াউর রহমানের ঘোষণা। আছে বর্ষার রিম ঝিম বৃষ্টি। আছে হেমন্তের মিষ্টি রোদ। আরও আছে এঁকে-বেঁকে ছুটে চলা ছোট-বড় নদ-নদী। অনেক কিছুই আছে।

দেশটির রূপ-রস, সৌন্দর্য-মাধুর্য, ইতিহাস- ঐতিহ্যে নিয়ে কথা বলার ইচ্ছা থাকলেও অধমের অদ্যকার ভাবনা দেশটির একটি অঞ্চল এবং সে অঞ্চলের একটি নদী নিয়ে। জৈন্তিয়া। সুজলা- সুফলা, সবুজ-শ্যামল, সোনার স্বাধীন বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তে, সিলেট জেলাধীন একটি জনপদ। প্রায় পাঁচ হাজার বছরের প্রাচীন এই জনপদ বর্তমানে চারটি উপজেলায় বিভক্ত।

১৮টি পরগনা আর ছোট-বড় দুই হাজারেরও বেশি গ্রাম-পাড়ার সমন্বয়ে উপজেলাগুলো হচ্ছে-জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও কানাইঘাট। প্রতœতাত্ত্বিক রাজা রামমোহন নাথের মতে জৈন্তিয়ার লোকরা জাতিতে ঞংরহ বংশের Tsin দেশ থেকে এসেছিল বলে তাদের ঞংরহঃবরহম তা থেকে Tsinteing তা থেকে Tsynteng.  ও পরে Zyten বা জৈন্তিয়া শব্দ এসেছে। জৈমিনি মহাভারত, মন্ত্রচূড়ামনি, তন্ত্রচূড়ামনি ও কামাখ্যাতন্ত্র ইত্যাদি পৌরাণিক সাহিত্যে জৈন্তারাজ্যের কথা উল্লেখ আছে।

জৈমিনি ভারত গ্রন্থে বর্ণনা আছে যে, পৌরাণিককালে জৈন্তিয়াকে নারীরাজ্য বলা হতো। মহা ভারতের যুগে ‘প্রমীলা’ নামের এক বীরাঙ্গনা রমণী ধারা জৈন্তা শায়িত ছিল বলে জানা যায়। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে বিজয়ী মহারাজ ‘গুষ্টিরযুদ্ধ’ শেষে এক অশ্বমেধ যজ্ঞ করেন। তার যজ্ঞাশ্ব নারী রাজ্যে প্রবেশ করলে রাণী ‘প্রমীলা’ সে যজ্ঞাশ্ব আটক করেন। অর্জুন চারবার যুদ্ধাসহ নারী রাজ্য জৈন্তায় আসেন যজ্ঞাশ্ব মুক্ত করতে, কিন্তু পারেননি, বরং তিনি রাণীর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হন।

পরবর্তীতে যুদ্ধে কোনো বাহাদুরি নেই মনে করে রাণী প্রমীলার সাথে রাজা অর্জুন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এ রাজ্যে আছে শ্রীপুরের পিকনিক স্পট, খাসিয়ার পান-সুপারী পুঞ্জি, জাফলং এর (বল্লাঘাটের) দৃষ্টিনন্দন পাথর, ঝুলন্ত ব্রিজ, চা বাগান, হরিপুরের অনির্বাণ অনল, (গ্যাস) উতলা দীঘির অবিরাম উতলসহ আরো কত কিছু। আছে আল্লাহর ঘর মসজিদ নির্মাণের অপরাধে জৈন্তার প্রথম মুসলমান ফতেহ খাঁ’র শাহাদত বরণের প্রেরণা।

আরো আছে বাংলাদেশের পূর্বে দীর্ঘ ৯০ বছর স্বাধীন থাকার ইতিহাস। ঐতিহাসিক ও প্রাচীন এ রাজ্যের মানুষের জীবিকা অর্জনের উৎস স্বচ্ছ ও বিশুদ্ধ পানির একমাত্র সুন্দরী নদী সারী নদী। নদীটি আমাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বর্তমান সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার লালাখাল নামক স্থান দিয়ে। প্রবীণদের কাছ থেকে জানা যায়, এ নদীটির উপরিভাগ অর্থাৎ ভারতের মেঘালয়ের জোয়াই এর দিক থেকে এসেছে।

উল্লেখ্য, ঐদিকের অংশকে ‘মাইনথ্রু’ নামে বলা হয়। আর ‘মাইনথ্রু’ নদী আশপাশের জনপদের মানুষের কাছে আশীর্বাদ স্বরূপ। এমনকি নদীটি তাদের শহর ও জনপদের রক্ষক হিসেবে মনে করে তারা। বলার বিষয় হলো, এ নদীটির পানিই জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী বিভাগ জোয়াই এ সরবরাহ করে এবং ঐ এলাকার জমি এ নদীর পানি দ্বারাই চাষাবাদের উপযোগী হয়।

বাংলাদেশের মানুষের নিকটও (বিশেষত বৃহত্তর জৈন্তার) সারী নদীর গুরুত্ব ও সম্মান কোনো অংশে কম নয়, বরং একটু বেশিই। কারণ, সরেজমিন সফর করে, জন-সাধারণের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য মতে, সর্বোপরি জন্মসূত্রে জৈন্তাপুরী হওয়াতে যতটুকু জানি? প্রাক বৃটিশ সময়ে ঐ নদীই ছিল যোগাযোগের একমাত্র পথ। বাংলাদেশের সবচেয়ে ভালো মানের বালুর প্রধান উৎস হচ্ছে  এ নদী। নিরক খাঁটি বালুর অফুরন্ত ভান্ডার রয়েছে (সারীর বালু নামে খ্যাত) এ নদীতে। বৃহত্তর জৈন্তার দিনমজুরদের নিকট কি কাজ কর?

জিজ্ঞেস করলে পৈতৃক সম্পত্তিতে কৃষি কাজ করার ন্যায় বুক ফুলিয়ে বলে ‘বালি খাম’ করি। সারা বছরই এ নদী থেকে বালু সংগ্রহ করা হয়। যা দিয়ে বড় বড় অট্টালিকার গাঁথুনী ও আস্তরণের জন্য দেশের বড় অংশের প্রয়োজন পূরণ হচ্ছে। মেঘালয়ের জৈন্তিয়া হিল ডিস্ট্রিকের আমলারিম ব্লকের পাহাড়ি খরস্রোতা নদী ‘মাইনথ্রু’ (সারী) নদী। নদীটির উপর তেষট্টি মিটার বাঁধ নির্মিত হচ্ছে, উদ্দেশ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প নির্মাণ। ইতোমধ্যে ৩টি প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়ে গেছে।

আফসোসের বিষয়! হালকা, মাঝারী সাইজের মাঝে মাঝে সমাবেশ ও দু’চারটি মানববন্ধন ইত্যাদি কর্মসূচি ছাড়া তেমন কোনো প্রতিবাদ দেখিনি এই সুন্দরী নদীটি বাঁচানোর জন্য। দেখিনি বিভিন্ন দিবস উপলক্ষে ক্ষমতাসীন (সরকারি) দলের বড় বড় র‌্যালির ন্যায় দেশের সম্পদ ও ঐতিহ্যময়ী এ নদীটিকে রক্ষার জন্য একটি র‌্যালি। দেখিনি বিরোধীদলের দলীয় বা বিভিন্ন ইস্যুতে লংমার্চ, রোডমার্চ অথবা হরতালের মতো উল্লেখযোগ্য লাখ লাখ মানুষের জীবিকা অর্জনের উৎস এই নদীটিকে বাঁচাতে প্রতিবাদের কোনো ভূমিকা পালন করতে।

এ নদীটির ব্যাপারে কেন এত নীরবতা? যদি বলেন নদীটি বাংলাদেশের অংশ নয়? তাহলে বলি কেন এ অঞ্চলে সীমান্তরক্ষী রেখে বিজিবিকে হাজার হাজার টাকা বেতন দিচ্ছি? যদি বলেন ঐ অঞ্চলের মানুষগুলোর দরকার নেই এ দেশের? তাহলে বলি কেন এ অঞ্চলের তৈল, গ্যাস, বালু, পাথর, চা, পান, ইত্যাদি থেকে কোটি কোটি টাকা ডিজিটাল দেশের রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করছি?

বিগত ২০১২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি সারী নদীর উজানে ভারত কর্তৃক ‘বিদুৎ উৎপাদন প্রকল্পের’ একটি প্রকল্প উদ্বোধন করা হয়েছে। এ প্রকল্পটির উদ্বোধন মানে (?) ঢাক ঢোল পিটিয়ে একটি নদী ও বিশাল এক জনপদের মানুষদের মৃত্যুপুরীতে ফেলে দেয়া। “যতদূর জানি আন্তর্জাতিক আইনে ভাটির দেশের সাথে আলোচনা, এর পরিবেশগত প্রভাব, অর্থনৈতিক ক্ষতি প্রভৃতি উজানের দেশকে বিবেচনার কথা সুউচ্চভাবে উল্লেখ আছে”। তা সত্ত্বেও এভাবে ভারত একের পর এক আমাদের উপর নদী আগ্রাসন চালাচ্ছে।

আমাদের জন্য কেন এমন মরণফাঁদ? এত সবের পরও দেশের ক্ষমতাসীনদের নমনীয়তা অবাক হওয়ার মতো? দেশের পররাষ্ট্রনীতি কি এতই দুর্বল যে ওরা (ভারত) যা ইচ্ছে তাই করবে আর আমরা (মন্ত্রী এমপিরা) শুধু দর্শকের ভূমিকা পালন করব? সত্য কথা হচ্ছে এই নদীটি যদি ধ্বংস হয় তাহলে বিরাট এক ক্ষতির সম্মুখীন হবে জৈন্তার জনপদ।

হুমকির মুখে দিনাতিপাত করবে জৈন্তা রাজ্যের মানুষগুলো। ভারত নীরব কৌশলে সারী নদীকে দিবালোকে গলা টিপে ধ্বংস করছে- করতে যাচ্ছে। অথচ আমাদের দেশের হর্তা-কর্তাদের সামান্যতম ‘রা’ টুকুই করছেন না। কেন? তাহলে আমাদের দেশকর্তারা কি জানেন না সারী নদীতে বাঁধ হলে কী ধ্বংস হবে? কতটুকু ক্ষতি হবে? কীভাবে মৃত্যুর সাথে জীবনযাপন করবে ঐ জনপদের দিনমজুর মানুষগুলো? বছরখানেক থেকে শুনে আসছি, ভারত কর্তৃক টিপাইমুখ বাঁধের মতো সারী নদীর উজানেও বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নিচ্ছে।

গত ৫ বছর আগে দৈনিক সিলেটের ডাকে প্রকাশিত “হুমকির মুখে সারী নদী” শিরোনামে একটি কলাম পড়েছিলাম, কলামটিতে আব্দুল হাই অনেক কথাই বলেছেন, একপর্যায়ে তিনি সংবাদ বেরিয়েছে উল্লেখ করে বলেন, এ নদীর উজানে জৈন্তিয়া হিল ডিস্ট্রিকের মাইনথ্রু নদীতে বাঁধ নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ করে ফেলেছে ভারত সরকার।

মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এ বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে, মোট ৩টি ইউনিটে ১২৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে, তিনি আরো লেখেন বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ৩০ কি. মি. দূরে ডাউকি চ্যুতির কাছাকাছি মাইনথ্রু ‘লেসাজ হাইড্রো ইলেকট্রিক ড্যাম’ এর অবস্থান।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে চলা ছোট বড় ১২টি নদীর ৭টি নদীতে ভারত কর্তৃক বাঁধ, ড্যাম ও স্লুইসগেট নির্মাণ করা হচ্ছে। তন্মধ্যে ত্রিপুরা রাজ্য থেকে আসা সিলেটের মনু নদী, হবিগঞ্জের ধলাই নদী, জাফলংয়ের পিয়াইন নদী, খোয়াই নদী, ধনী নদীসহ সর্বশেষ জৈন্তার সারী নদীর অস্তিত্ব প্রক সংকটাপন্ন।

সারী নদীর উজানে বাঁধ নির্মাণের কারণে জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানিগঞ্জ ও সদরের বিস্তীর্ণ এলাকা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে। বর্ষাকালে বাঁধের অতিরিক্ত পানি ছেড়ে দিলে আকস্মিক বন্যায় পুরো জনপদকে ওলট-পালট করে দেবে। আকস্মিক ও অতিরিক্ত পানিতে ছোটখাটো খাল, বিল ও হাওর বালিতে ভরে যাবে এবং মৃত্যুর মুখে পতিত হবে।

নদীভাঙনে লুপ্ত হবে তীরবর্তী অনেক জনপদ ও ফসলি ভূমি। উর্বরাশক্তি চিরতরে হারাবে ক্ষেত্রভূমি। শুষ্ক মওসুমে নদীর পানি প্রত্যাহারের কারণে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাবে এবং কৃষি ক্ষেত্রে মারাত্মক সংকট সৃষ্টি করবে। বাঁধের কারণে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যাবে। পানির স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ ও প্রাকৃতিক ছন্দপ্রবাহ বিনষ্টের কারণে, বিল, হাওর, খাল ও নদীর প্রাণী বৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যাবে।

স্বাভাবিক প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস ও ইকোসিস্টেম ওলট-পালটের কারণে জলচর  প্রাণী লুপ্ত হবে, এবং তাদের উপর পাখ-পাখালীদের আর আগমন ঘটবে না। উদ্ভিদের যে বৈচিত্র্য এ নদী কেন্দ্রীক গড়ে উঠেছে তার চির বিনাশ ঘটবে। লতা, গুল্ম তথা উদ্ভিদের বৈচিত্র্য ধ্বংস হবে এবং ফসল হ্রাস পাবে যা মানবিক সংকটের সৃষ্টি করবে। সারী নদী কেন্দ্রীক যে অর্থ-সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে, বাঁধের কারণে তাও ধ্বংস হয়ে যাবে।

সারীর উচ্চমানের বালু আর পাওয়া যাবে না। এতে হাজার হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়বে, এবং ব্যবসার সাথে জড়িত শত শত পরিবার পথে বসবে। কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হবে সরকার। নদীপথ ধ্বংসের কারণে পরিবহন ব্যয় বাড়বে ও মাঝি মাল্লাদের জীবন হবে দুর্বিষহ। হাজার হাজার জেলে পরিবার পথে বসবে।

ক্ষেতের জমি ধ্বংসের কারণে প্রত্যাশিত ফসল না পাওয়ায় খাদ্যের অভাব দেখা যাবে। মোটকথা, সারী নদীর উজানে নির্মাণাধীন বাঁধ এতদ্বঞ্চলের জীবন ও প্রকৃতিতে মহাবিপর্যয় সৃষ্টি করবে যা কল্পনাতীত। আমি জানি না, আমার কথাগুলোতে পাঠকের বিবেচনা কেমন? আমি জানি না আমার দেশের এই সম্পদকে রক্ষার কোনো পথ দেশ ও জাতি করবে কি না?

আমি জানি না আমার কথাগুলো শুনে এতটুকু বন্ধুসুলভ আচরণে ভারত এগিয়ে আসবে কি না? আমি জানি না যারা দেশ ও জাতির জন্য বড় বড় কর্মসূচি পালন করে তাদের কেউ এ নদীটির জন্য কিছু একটা করবেন কি না? আমি জানি না বৃহত্তর জৈন্তা ও সিলেটের মানুষরা নদীটি রক্ষা করতে এগিয়ে আসবে কি না? তথাপি সারী নদীকে বলতে পারবো সারী নদী!

আমরা কপাল পোড়ারা তোমাকে রক্ষা করতে পারলাম না। তবে সাধ্যমত চেষ্টা করেছি-চিন্তা করেছি। তুমি বর্ণনাতীত আমাদের শুধু দিয়েই চলছো-দিয়েছো। তোমার নিকট আমরা শতঋণী। তোমাকে ভালোবাসি। কিন্তু আমরা দুর্বল। প্রভু আমাদের প্রতি সহায় হোন। তুমি আমাদের ক্ষমা করিও। আর কামনা করিও আমাদের হতভাগা এ দেশটির জন্য, স্বাধীন হওয়া সত্ত্বেও দেশটি মনে হয় পরাধীন। লেখক: সম্পাদক- পুষ্পকলি। শিক্ষক-দারুল আজহার মডেল মাদরাসা, সিলেট।

(Visited 10 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here