ইউপি-পৌরসভা-সিটি কর্পোরেশনে নতুন পদ সৃষ্টির উদ্যোগ

0
200

সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: ‘দেশের ইউনিয়ন পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান পদ এবং পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনে ডেপুটি মেয়রের পদ সৃষ্টি করা হবে।

এই পদ সৃষ্টির লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবদুল মালেক রোববার সকালে রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

ইউনিয়ন পরিষদ গভর্ন্যান্স প্রজেক্ট (ইউপিজিপি) ২০১২-২০১৭ এই পাঁচ বছরের কাজের সফুল অর্জন ও উদ্ভাবনী সম্পর্কে সুপারিশমালার ওপর এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ইউপিজিপি’র জাতীয় প্রকল্প পরিচালক এলজিডির অতিরিক্ত সচিব ইকরামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইউএনডিপি’র বাংলাদেশস্থ পরিচালক সুদীপ্ত মুখার্জী এবং ইইউ’র অদ্রি মিলল্যাট ও প্রকল্প সমন্বয়কারী মো.অলিউল্লাহ।

কর্মশালায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. সালাউদ্দিন মোহাম্মদ আলিমুজ্জামান। আবদুল মালেক বলেন, দেশের সকল স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীর জনপ্রতিনিধিত্ব করার পাশাপাশি স্থানীয় সরকারকে আরো বেশি শক্তিশালী করার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

দেশের চার হাজার ৫৪৫টি ইউনিয়ন পরিষদে একজন করে হিসাব সহকারী নিয়োগ দেয়া হবে। তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভাগুলিতে ভাইস চেয়ারম্যানের পদ সৃষ্টি করা হয়েছিল। ১৯৭৭ সালে তা বাতিল করা হয়। বর্তমানে ভাইস চেয়ারম্যান ও ডেপুটি মেয়রের পদ পুনরায় সৃষ্টি করার লক্ষ্যে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি বাস্তবায়নে ক্ষমতা বিকেন্দ্রয়ানের মাধ্যমে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। পৃথিবীর আর কোন দেশে স্থানীয় পর্যায়ে নারী সমাজের বাধ্যতামূলক অংশগ্রহণে নির্বাচন নেই বললেই চলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ববাসীর কাছে একজন রোল মডেল হিসেবে পরিচিত।

সারাদেশে বিভিন্ন দাতা সংস্থার মাধ্যমে ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে দেশের ৭টি বিভাগের নির্বাচিত ৭টি জেলার ৬৫টি উপজেলার ৫৬৪টি ইউনিয়ন পরিষদে ১৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গভর্ন্যান্স প্রজেক্ট (ইউপিজিপি) বাস্তবায়ন করে।

এই প্রকল্প স্থানীয় পর্যায়ে দারিদ্র বিমোচন, দক্ষতা বৃদ্ধি, শিখন ও উদ্ভাবণী কৌশল, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়ে কাজ করে। এতে ৫৬৪টি ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় কর আদায়, তৃণমূল পর্যায়ে নারী নেতৃত্ব তৈরি ও সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে বলে কর্মশালায় জানানো হয়।সুত্র:- বাসস

(Visited 8 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here