শনির হাওরে মাছ ধরা নিয়ে সংঘর্ষ : পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ মোতায়েন

0
304

সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের বীরনগড় ও জয়নগড় গ্রামের জেলেদের মধ্যে শনির হাওরে ছাই দিয়ে মাছ ধরার বাঁধ দেয়াকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় শনিবার মোহাম্মদ আলী গ্রুপের আব্দুল হান্নান বাদী হয়ে বাবুল মিয়া গ্রুপের ৮৪জনকে আসামী করে তাহিরপুর থানায় মামলা দায়ের করেছে।

অন্য পক্ষ এখনো মামলা দায়ের করে নি। পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী জানাযায়,শুক্রবার বিকালে সদর ইউনিয়নের বীরনগড় গ্রামের ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া ও জয়নগড় গ্রামের মোহাম্মদ আলীর গ্রুপের লোকজনের মধ্যে শনির হাওরে মাছ ধরার জন্য এক অপরকে বাঁধ দেয়।

এনিয়ে দুই পক্ষ কতা কাটা কাটির এক প্রর্যায়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে ২ঘন্টা ব্যাপী সংর্ঘষে জড়িয়ে পরে। খবর পেয়ে তাহিরপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন আন্তে দুই রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এসময় সংর্ঘষ থামাতে গিয়ে তাহিরপুর থানার এসআই আমির হোসেন,কনস্টেবল নুরুল ইসলাম ও নৌকার মাঝি হুমায়ুন আহত হয়।

পরে ঘটনাস্থল থেকে লোহার ছুলফি,ঢাল ও বাশেঁর টোটা সহ দুই শতাধিক দেশীয় আস্ত্রসস্ত্র জব্দ করে ও মাছ ধরার জাল এবং হাওরের পাচঁটি বাঁধ ভেঙ্গে দেয় পুলিশ। তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূনেন্দ্র দেব,জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পশ্চিম) মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ ও তাহিরপুর সার্কেলের সিনিয়র পুলিশ সুপার কানন কুমার দেবনাথ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

সংর্ঘষে মোহাম্মদ আলী ও বাবুল মিয়া গ্রুপের সংর্ঘষে পুলিশ,মহিলাসহ দু-পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। গুরুত্বর আহতদের মধ্যে ২৫জন কে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল,তাহিরপুর,জামালগঞ্জ ও বিশ্বম্ভরপুর হাসপতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানাযায়।

অন্যান্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সংর্ঘষে জরিত থাকার অপরাধে খসরু মিয়া,কালা মিয়া ও আশিকনূর নামে তিন জন কে রাতেই অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে সুনামগঞ্জ জেল হাজতে প্রেরন করেছে। তাহিরপুর থানার ওসি (তদন্ত) আসাদ্দুজ্জামান হাওলাদার এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,এক পক্ষ মামলা দায়ের করেছে। যে কোন অনাকাংখিত ঘটনা এড়াতে ও এলাকার শান্তি শৃংখলা বজার রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়ের আছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here