বিয়ের পর গৃহিনী না হওয়ায় অপুকে তালাক : শাকিবের আইনজীবী

0
172

সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: অপু বিশ্বাস মুসলিম রীতি অনুযায়ী বিয়ের পর গৃহিনী না হওয়ায় চিত্রনায়ক শাকিব খান তালাকনামা পাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলাম।

অপুর ঠিকানায় ২২ নভেম্বর পাঠানো তালাকনামায় শাকিব খান এ কারণ দেখিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

সোমবার সন্ধ্যায় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বিয়ের সময় ধর্মান্তরিত হয়ে অপু বিশ্বাস শাকিব খানকে বিয়ে করেছিলেন।

কথা ছিল তিনি মুসলিম রীতিনীতি মেনে চলবেন ও গৃহিনী হয়ে থাকবেন। কিন্তু অপু বিশ্বাস সে কথা রাখেননি। তালাকনামায় শাকিব অভিযোগ তোলেন, পুত্রসন্তান জয়কে বাড়িতে গৃহকর্মীর সঙ্গে তালাবন্ধ রেখে ‘ছেলেবন্ধুকে নিয়ে’ দেশের বাইরে যান অপু। শাকিবের তালাকের নোটিসে বলা হয়েছে, ছেলেকে তালাবন্ধ করে রাখার খবর শুনেই অপুর বাসায় ছুটে যান তিনি।

কিন্তু সন্তানকে উদ্ধার করতে না পেরে থানায় জিডি করেন তিনি। তবে অপু বিশ্বাস বিষয়টি অস্বীকার করে সে সময় গণমাধ্যমে জানিয়েছিলেন, তিনি চিকিৎসা করাতে কলকাতায় গিয়েছিলেন। ছেলে জয়কে কাজের মেয়ের কাছে নয়, বড়বোনের কাছে রেখে গিয়েছিলেন। ছেলেকে ভারতে না নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে জানিয়েছিলেন, কলকাতার শীতের কারণেই ছেলেকে রেখে গিয়েছিলেন।

আইনজীবী আরও বলেন, এসব ঘটনার কারণেই শাকিব খান অপুকে তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। গত ২২ নভেম্বর অপু বিশ্বাসের ঢাকার বাসা ও বগুড়ার ঠিকানায় রেজিস্ট্রি করা হলফনামা আকারে তালাকনামা পাঠানো হয়। পরবর্তী প্রক্রিয়া জানতে চাইলে আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম বলেন, নিয়ম হলো ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সালিশি পরিষদ দুজনকে ডেকে নিয়ে বসবে যেন সংসারটি ভেঙে না যায়।

যদি শাকিব খান তারপরও মনে করেন এটাই তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, তবে ৯০ দিন পর তালাকনামা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, ছেলের জন্মদিনে পাঁচ লাখ টাকা দিয়েছিলেন শাকিব খান। এছাড়া প্রতিমাসে ছেলের ভরণ-পোষণ বাবদ কমপক্ষে তিন লাখ টাকা দেন।

দেন মোহরের সাত লাখ টাকা অপু বিশ্বাস চাইলে যে কোনো সময় দিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। শাকিব-অপুর ডিভোর্স নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন চলছিলো। অবশেষে ডিভোর্সের চিঠি পাঠানোর মাধ্যমে তার অবসান ঘটলো। শাকিব-অপু গোপনে বিয়ে করেন ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল।

বিয়ের ৮ বছরের মাথায় তাদের কোল জুড়ে আসে এক পুত্রসন্তান। তার নাম আব্রাহাম খান জয়। ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর কলকাতার একটি ক্লিনিকে সিজারের মাধ্যমে জয়ের জন্ম হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here