কোম্পানীগঞ্জের প্রভাবশালী মহল কর্তৃক ষড়যন্ত্রের শিকার বিল্লাল

0
214

সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে ইউনিয়নবাসীর সেবা করার মনোভাব ও স্বপ্ন ছিলো কোম্পানীগঞ্জের পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও উত্তর কলাবাড়ি গ্রামের হাজী আব্দুল মনাফের ছেলে মোঃ বিল্লাল আহমদের।

কিন্তু সেই স্বপ্ন ধুলায় মিশিয়ে ছাই করে দিয়েছে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার একটি কুচক্রি মহল।

তাদের নানা ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তে প্রতিহিংসার শিকার হতে হলো বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ বিল্লাল আহমদকে। এক পর্যায়ে সামাজিকভাবে চরিতার্থ ও সম্মানহানী করতে বিল্লাল আহমদকে ডাকাতি ও অস্ত্র মামলা দিয়ে আসামী করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিল্লাল আহমদ।

বর্তমানে ঐ ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তকারীরা বিল্লালকে ফের ক্ষতি ও সম্মানহানি করতে নানাভাবে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। জানা যায়, সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ২নং পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ বিল্লাল আহমদ স্থানীয় হাজী অাব্দুল মনাফ স্টোন ক্রাশার মিলের স্বত্তাধিকারী। দীর্ঘ দিন ধরে অত্যান্ত সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন বিল্লাল আহমদ।

ব্যবসার পাশাপাশি তিনি পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ৪নং ওয়ার্ড শাখার সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তা ছাড়া সিলেট জেলা অটো রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন (৭০৭) অাম্বরখানা-সালুটিকর শাখার দয়ার বাজার স্টপিজের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

এছাড়াও এলাকার সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, খেলাধুলার উন্নয়ন, মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন ও অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তাঁর স্বপ্ন ছিলো বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচন করে পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এলাকা তথা সমাজের উন্নয়নে কাজ করার।

কিন্তু একটি কুচক্রি মহল তাঁর সমাজসেবা মূলক কাজে ঈর্ষান্বিত হয়ে বিভিন্নভাবে অপপ্রচার শুরু করে। বিল্লাল অাহমদ বলেন,এলাকার কিছু কুচক্রি মহল আমাকে এলাকা ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে ২০১৪ সালে একটি ডাকাতি মামলার আসামী করে। পরবর্তীতে অামাকে কৌশলে থানায় ডেকে নিয়ে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করে পুৃলিশ।

এক পর্যায়ে আদালত থেকে জামিন নিয়ে বের হওয়ার প্রায় ২৫ দিন পর কোম্পানীগঞ্জ থানার তৎকালীন সেকেন্ড অফিসার মিয়া আবুল কালাম আজাদ ঐ সব কুচক্রি মহলের ইশারায় অামার ঘরে অস্ত্র রেখে ফের অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন অামার বিরুদ্ধে। কিন্তু সেই মামলায়ও আদালত থেকে জামিন নিয়ে চলে আসি নিজ এলাকার জনতার মাঝে।

কিন্তু সেই চক্রান্তকারীদের ষড়যন্ত্র এখনো বন্ধ হয়নি। তারা বিল্লাল আহমদকে আবারো বিভিন্ন ভাবে ফাঁসাতে ও সম্মানহানী করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে শুরু করেছে নানাভাবে অপপ্রচার। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ তরুন ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী বিল্লাল আহমদের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া অপপ্রচার, ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

তারা বলেন, বিল্লাল আহমদ পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়ন তথা কোম্পানীগঞ্জে একজন ভালো মানুষ। একটি পক্ষ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বিল্লালের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করছে। তবে এলাকাবাসী তাঁর পক্ষে রয়েছেন। কেউ কোন প্রকার ক্ষতি তাঁর করতে পারবে না।

এ ব্যাপারে বিল্লাল আহমদ অারো জানান, আমার অপরাধ হলো সমাজের নেতৃত্ব দেওয়া। অসহায় মানুষের উপকারসহ সকল প্রকার সামাজিক উন্নয়নে অগ্রনী ভূমিকা পালন করা। তাছাড়া জনপ্রতিনিধি হয়ে সমাজের কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করা। তারা এ জন্যই আমাকে ডাকাতি ও অস্ত্র মামলার আসামী করে নানাভাবে হয়রানী ও সম্মানহানী করেছে ও করছে।

তাতে আমি ভীত নয়। ইউনিয়নবাসীসহ সর্বস্থরের মানুষ আমার পাশে রয়েছেন ও অামাকে সহযোগীতা করছেন। এটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ। আমি মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া চাই। সুত্র:- সময়ের ডাক

(Visited 5 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here