ছড়ার উপর রংমহল টাওয়ারের দেয়াল : দূর্ভোগে এলাকাবাসী

0
320

সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: নগরীর বন্দরবাজার থেকে কাষ্টঘর অভিমুখী একটি ছড়া দখল করে দেয়াল নির্মানের অভিযোগ উঠেছে বন্দরবাজার এলাকার বিপনী বিতান রংমহলের টাওয়ারের বিরুদ্ধে।

কেবল দেওয়াল নয় ওই ছড়ার উপর লোহার গেইট নির্মাণ করে পানি প্রবাহও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন কাষ্টঘর এলাকাবাসী।

এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানান, ছড়ার পানি প্রবাহ বন্ধ করে ফেলায় অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে এলাকা। এছাড়া বদ্ধ ছড়ায় বর্জ্য জমে পুরো এলাকা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পাড়ে। এ কারণে রোগ-বালাইও ছড়াচ্ছে।

সিলেট সিটি কর্পোরশেনের প্রকৌশল শাখা সূত্রে জানা গেছে, বন্দরবাজার-কাষ্টঘর হয়ে এই ছড়াটির সুরমা নদী পর্যন্ত সংযোগ ছিলো। তবে এখন এই ছড়ার বিভিন্ন স্থানে দখল করে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন স্থাপনা। কাষ্টঘর এলাকায় এই ছড়ার উপর গড়ে উঠেছে মাদান টাওয়ার।

কাস্টঘরের সুইপার কলনীর অনেকটা অংশও গড়ে উঠেছে এ ছড়ার উপর। বন্দরবাজারে এই ছড়ার কিছু অংশ দখল করে দেয়াল নির্মাণ করেছে রংমহল টাওয়ার। সরেজমিনে দেখা যায়, বন্দরবাজারে রংমহল টাওয়ারের মূল বিল্ডিংয়ের পূর্ব পাশে ছড়ার উপর অতিরিক্ত একটি দেওয়ালণ নির্মাণ করা হয়েছে।

এছাড়া লোহার ফটক দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ছড়ার পানি প্রবাহ। এই ফটকে বর্জ্যরে স্তুপ জমে দূর্গন্ধময় হয়ে পড়েছে পুরো এলাকা। কাষ্টঘর এলাকার বাসিন্দা নুর খান অভি বলেন, ছড়ার পানি প্রবাহ বন্ধ করে দেওয়ায় অল্প বৃষ্টিতেই এলাকা জলাবদ্ধতা হয়ে পড়ে। এছাড়া আবর্জনার স্তুপ জমে থাকায় দুর্গন্ধের কারণে ঘরেও থাকা যায় না।

এই ছড়ায় জমে থাকা আবর্জনার প্রতিদিন শুকর চড়ে বেড়ায়। এছাড়া আবর্জনার কারণে মশার উৎপাত বেড়েছে। ফলে নানা রোগবালাই ছড়াচ্ছে। তবে ছড়া দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে রংমহল টাওয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রশিদ আহমদ এহসান বলেন, আমাদের টাওয়ারের পাশে এই দোকান ছড়ার উপর রয়েছে।

তবে আমরা কোনো ছড়া দখল করিনি। আমারা যে জমি কিনেছি সেই জমির উপরই দেওয়াল নির্মাণ করেছি। সিলেটে সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান বলেন, রংমহল টাওয়ার একটি অতিরিক্ত দেয়াল নির্মান করে ছড়ার কিছু অংশ তাদের সীমানার ভেতরে নিয়ে নিয়েছে।

এই দেয়ালটি ভেঙ্গে সকল প্রতিবন্ধকতা সরাতে মেয়র নির্দেশ দিয়েছেন। তারা না ভাঙ্গলে আমরাই ভেঙ্গে দেবো। তিনি বলেন, কাষ্টঘরের পরে এই ছড়ার আর কোনো অস্থিত্ব নেই। ওখানে মাদানি হাউজিং নামে একটি আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠেছে।

ওই আবাসনের পাশ দিয়ে দিয়ে একটি ড্রেন নিয়ে যাওয়ার জন্য মেয়রকে অর্থমন্ত্রী চিঠি দিয়েছেন। অর্থমন্ত্রী সেটি পরিদর্শনও করেছেন। ড্রেনের কাজ কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে। সবুজ সিলেট

(Visited 4 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here