হাকালুকির বিভিন্ন বিলে অবাধে মাছ চুরি

0
205

সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: হাকালুকি হাওরের ইজারাবিহীন গুটাউরা হাওরখাল বদ্ধ জলমহালে প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার পর প্রভাবশালী মাছ চোরেরা মাছ লুটের ধরণ পাল্টেছে।

এবার পার্শবর্তী জলমহালের পাশে অবস্থান করে তারা রাতের আধারে লাখ লাখ টাকার মাছ লুট করছে। হাকালুকির হাওরখাল বিলে প্রভাবশালী মহলের তান্ডবে সরকার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।

জানা গেছে, গত ৫ মার্চ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত হাকালুকির হাওরখাল বদ্ধ বিলে অভিযান চালায়। এসময় ফেঞ্চুগঞ্জের প্রভাবশালী নুরুল ইসলাম চেয়ারম্যান, আব্দুর রাজ্জাক রজাই, জলিল শাহ ও জাফর বাহিনীর নিয়োজিত ১১ মৎস্যজীবিকে আটক করা হয়।

বিলের পারে তাদের নির্মিত অবৈধ বাসা ও মাছ ধরার নানা সরঞ্জাম পুড়িয়ে দেয় ভ্রাম্যমান আদালত। এরপর প্রভাবশালীরা হাওরের মাছ লুটের ধরণ পাল্টে নতুল কৌশল অবলম্বন করেছে। সরেজমিন সুত্র জানায়, প্রশাসনের অভিযানের পর হাওরখাল বিলের অবৈধ মাছ শিকারীদের প্রশ্রয় দিয়েছে হাওরের একটি বিলের প্রভাবশালী ইজারাদার।

হাসান নামে ওই ইজারাদারের বাসায় মাছ লুটেরা বাহিনী আশ্রয় নিয়েছে। প্রতিদিন আছরের আজানের পর এ বৈধ বিলের মাছ ধরার কাজের ১০-১২টি নৌকা ও জাল নিয়ে মৎস্য দস্যুরা হাওরখাল বিলে প্রবেশ করে। ভোর পর্যন্ত ১০-১৫ লাখ টাকার মাছ শিকার করে তারা ফেঞ্চুগঞ্জবাজার, ঘিলাছড়াবাজার, কানুনগোবাজার, বিয়ানীবাজার, মাইজগাও, কাজীরবাজারসহ দেশের বিভিন্ন মাছের আড়তে মাছ পাচার করছে।

সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন জানান, হাওরখাল বিলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার পর নতুন কৌশলে মাছ চুরি হচ্ছে বলে অভিযোগ পাচ্ছেন। তবে এব্যাপারে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

(Visited 12 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here