১৩৫ কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ৩১ জনই স্বশিক্ষিত

0
76

সিলেটের সংবাদ ডটকম ডেস্ক: সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ১৩৬ জন সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ৩১ জনই হলেন স্বশিক্ষিত।

৩২ জন এসএসসি পাশ করেননি। এলএলবি পাশ করেছেন ৬ জন। রয়েছেন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারও। প্রার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ আয় করেন মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান কামরান।

আর ১৩ প্রার্থীর কোনো আয় নেই। সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ২৭ ওয়ার্ডের ১৩৬ প্রার্থী তাদের হলফনামায় এসব তথ্য তুলে ধরেছেন। প্রার্থীর নিজের স্বাক্ষর করা হলফনামা সত্যায়িত করে নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্র এ তথ্য জানিয়ে বলেছে, অনেকের হলফনামা নিয়ে প্রশ্ন শুনা যাচ্ছে।

লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে ১নং ওয়ার্ডে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এইচএসসি পাশ মুবিন আহমদের আয় ২ লক্ষ ৯২ হাজার টাকা। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার নিয়াজ মোঃ আজিজুল করিম ৩ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা আয় করেন।

স্বশিক্ষিত আনোয়ার হোসেন মানিকের আয় ২ লক্ষ টাকা। ৫ম শ্রেণি পাশ ইকবাল আহমদ রনি ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা আয় করেন। এসএসসি পাশ এজহারুল হক চৌধুরীর আয় ২ লক্ষ ৮৫ হাজার ৭৯৮ টাকা। বিএসএস পাশ মুফতি কমর উদ্দিনের কোনো আয় নেই।

একইভাবে ৮ম শ্রেণি পাশ সলমান আহমদ চৌধুরীরও কোনো আয় নেই। বি.এ পাশ সৈয়দ আনোয়ারুছ সাদাতের আয় ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। বি.কম পাশ সৈয়দ তৌফিকুল হাদী চাকুরি ও ভাড়া থেকে ১০ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা আয় করেন। ২নং ওয়ার্ডের ৩ প্রার্থীর মধ্যে বি.কম পাশ বিক্রম কর স¤্রাটের আয় ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা।

এসএসসি পাশ রাজিক মিয়া বাড়ি ভাড়া, ব্যবসা ও পেশা থেকে ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ৬৮২ টাকা আয় করেন। ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া রাসেল মামুন ইবনে রাজ্জাকের আয় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ৩নং ওয়ার্ডের ৬ প্রার্থীর মধ্যে এস.এম আবজাদ হোসেন আমজাদের আয় ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। তিনি বি.এ পাশ।

স্বশিক্ষিত আবুল কালাম আজাদ (লায়েক) এর আয়ের পরিমাণ জানা যায়নি। ৮ম শ্রেণি পাশ ছালেহ আহমদ ২ লক্ষ ৪০ হাজার ৫শ’ টাকা আয় করেন। ৫ম শ্রেণি পাশ মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিকের আয় ৯৬ হাজার টাকা। এসএসসি পাশ শামীম আহমদ চৌধুরীর আয় ৪ লক্ষ ৮শ’ টাকা। এসএসসি পাশ রাজীব কুমার দে’র কোনো আয় নেই।

৪নং ওয়ার্ডের ৬ প্রার্থীর মধ্যে স্বশিক্ষিত জাবের আহমদ চৌধুরীর আয় ১ লক্ষ ২৬ হাজার ৭৪৫ টাকা। বি.এ পাশ মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের আয় ৫ লক্ষ ৭৯ হাজার ৬৮০ টাকা। রেজাউল হাসান লোদী (কয়েস লোদী) এমএসএস পাশ।

তার আয় ৫ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা। স্বশিক্ষিত সাকিল আহমদ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আয় করেন। শেখ তোফায়েল আহমদ শেপুল লিখেছেন ‘পারিবারিকভাবে স্বশিক্ষিত’। তিনি ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা আয় করেন। এইচএসসি পাশ সোহাদ রব চৌধুরীর আয় ১২ লক্ষ ২৬ হাজার ৮৮০ টাকা।

৫নং ওয়ার্ডের ৬ প্রার্থীর মধ্যে স্বশিক্ষিত আমিনুর রহমান পাপ্পুর কোনো আয় নেই। এইচএসসি পাশ কাজী নজমুল ইসলামের আয় ২ লক্ষ টাকা। স্বশিক্ষিত কামাল মিয়ার আয় ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। ১০ম শ্রেণি পড়ুয়া রিমাদ আহমদ রুবেলের আয় ২ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা। সাধারণ ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী একমাত্র নারী প্রার্থী নিলুফা সুলতানা চৌধুরী লিপি স্বশিক্ষিত।

তার কোনো আয় নেই। ৯ম শ্রেণি পাশ রেজওয়ান আহমদ ৪ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা আয় করেন। ৬নং ওয়ার্ডের ৪ প্রার্থীর মধ্যে দাখিল পাশ ইয়ার মোহাম্মদ এনামুল হক ৯৭ হাজার ৬৫০ টাকা আয় করেন। এসএসসি পাশ এমদাদ হোসেন চৌধুরীর আয় ৩ লক্ষ টাকা। স্বশিক্ষিত ফরহাদ চৌধুরী শামীমের আয় ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। স্বশিক্ষিত শাহীন মিয়া ২ লক্ষ টাকা আয় করেন।

৭নং ওয়ার্ডের ৩ প্রার্থীর মধ্যে ৯ম শ্রেণি পড়ুয়া আফতাব হোসেন খানের আয় ২ লক্ষ ৫৭ হাজার টাকা। ৫ম শ্রেণি পাশ মুহিবুর রহমান ছাবু ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা আয় করেন। সায়ীদ মোঃ আব্দুল্লাহ দাখিল পাশ। তার আয় ২ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা।  ৮নং ওয়ার্ডের ৭ প্রার্থীর মধ্যে বি.এ পাশ ইলিয়াছুর রহমানের কোনো আয় নেই।

একইভাবে এসএসসি পাশ জগদীশ চন্দ্র দাশেরও কোনো আয় নেই। এসএসসি পাশ ফয়জুল হকের আয় ২ লক্ষ টাকা। স্বশিক্ষিত বিদ্যুৎ দাস ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা আয় করেন। ৯ম শ্রেণি পড়–য়া শাহাদাত খানের আয় ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। স্বশিক্ষিত শাহেদ আহমদের আয় ২ লক্ষ টাকা।

সিরাজ খান ২ লক্ষ ৩ হাজার টাকা আয় করেন। তিনি স্বশিক্ষিত। ৯নং ওয়ার্ডের ৪ প্রার্থীর মধ্যে ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া বিধান কপালীর কোনো আয় নেই। এসএসসি পাশ মোখলেছুর রহমান কামরান সকল প্রার্থীর মধ্যে সর্বোচ্চ আয় করেন। তার আয়ের পরিমাণ ৪৬ লক্ষ ৬৪ হাজার ৮০০ টাকা।

এ লেভেল পাশ নজরুল ইসলাম বাবুলের আয় ২ লক্ষ টাকা। হাফিজুর রহমান স্নাতক পাশ। তার কোনো আয় নেই। ১০নং ওয়ার্ডের ৬ প্রার্থীর মধ্যে এলএলএম পাশ তারেক উদ্দিন তাজের আয় ১১ লক্ষ ৩৭ হাজার ২৪০ টাকা। এলএলবি পাশ ছালেহ আহমদ চৌধুরী ৫ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা আয় করেন।

৮ম শ্রেণি পড়ুয়া মজিবুর রহমানের আয় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ¯œাতক পাশ আব্দুল হাকীমের আয় ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। ১০ম শ্রেণি পড়ুয়া মোস্তফা কামালের আয় ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। এসএসসি পাশ সফিকুল ইসলাম ২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা আয় করেন। ১১নং ওয়ার্ডের ৪ প্রার্থীর মধ্যে এলএলবি পাশ আব্দুর রকিব বাবলুর আয় ২ লক্ষ ৪৮ হাজার টাকা।

এইচএসসি পাশ কবির আহমদের আয় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। এইচএসসি পাশ রকিবুল ইসলাম ঝলকের কোনো আয় নেই। এলএলবি পাশ মীর্জা এম.এস হোসেনের আয় ৩০ লক্ষ ৪০ হাজার ৮৫৬ টাকা। ১২নং ওয়ার্ডের ৬ প্রার্থীর মধ্যে ৯ম শ্রেণি পড়–য়া আজহার উদ্দিন জাহাঙ্গীর বাড়ি ভাড়া থেকে ১৫ হাজার টাকা আয় করেন।

পিযুষ কান্তি দে এসএসসি পাশ। তার কোনো আয় নেই। এসএসসি পাশ আব্দুল কাদিরের আয় ৯ লক্ষ ৭৭ হাজার ৫২৫ টাকা। ৮ম শ্রেণি পড়–য়া রুবেল আহমদের আয় ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। সালাউদ্দিন মিয়া ৮ম শ্রেণি পাশ। তার আয় ৪ লক্ষ ৬ হাজার ৮২ টাকা। ৯ম শ্রেণি পাশ মোঃ সিকন্দর আলীর আয় ৫ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা।

১৩নং ওয়ার্ডের ৫ প্রার্থীর মধ্যে এলএলবি পাশ বিশ্বজিৎ দাসের আয় ২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। মাধ্যমিক পাশ এবাদ খান দিনার ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা আয় করেন। ৬ষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া গুলজার আহমদ বাসা ভাড়া থেকে ৭০ হাজার টাকা আয় করেন। ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া শান্তনু দত্ত সনতুর আয় ৮ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। এইচএসসি পাশ সুমন আহমদের আয় ২ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা।

১৪নং ওয়ার্ডের ৬ প্রার্থীর মধ্যে স্বশিক্ষিত হাবিবুর রহমান মজনুর কোনো আয় নেই। ৯ম শ্রেণি পড়ুয়া মোস্তাফিজুর রহমানের আয় ১১ লক্ষ ৩৬ হাজার ৭৮৫ টাকা। ৬ষ্ঠ শ্রেণি পাশ নজরুল ইসলাম মুনিম ৮ লক্ষ ৮০ হাজার ৯২১ টাকা আয় করেন। স্বশিক্ষিত রনজিৎ চৌধুরীর আয় ৬০ হাজার টাকা। স্বশিক্ষিত সাঈদী আহমদের আয় ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। এইচএসসি পাশ সিরাজুল ইসলাম শামীম ৭ লক্ষ ৭৯ হাজার ৪৭৫ টাকা আয় করেন।

১৫নং ওয়ার্ডের ৫ প্রার্থীর মধ্যে এসএসসি পাশ আব্দুল গফ্ফারের আয় ২ লক্ষ ৫০ হাজার ৫শ’ টাকা। ‘স্বশিক্ষায় শিক্ষিত’ হলেন ছয়ফুল আমীন বাকের। তার আয় ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। বি.এ পাশ মুজিবুর রহমানের আয় ৯ লক্ষ ২ হাজার ৫১০ টাকা। স্বশিক্ষিত শেখ হাজী মফিজুর রহমানের আয় ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা।

ইফতেখার আহমদ সোহেল স্বশিক্ষিত। তার আয় ৮ লক্ষ ২৯ হাজার ৩৭৫ টাকা।  ১৬নং ওয়ার্ডের ৯ প্রার্থীর মধ্যে আব্দুল মুহিত জাবেদের আয় ৯ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। তিনি বি.এ পাশ। ১০ম শ্রেণি পড়ুয়া কুমার গণেশ পালের আয় ২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা। বি.এ পাশ তমাল রহমানের কোনো আয় নেই।

এলএলবি পাশ তামিম আহমদ খানের আয় ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। এইচএসসি পাশ মির্জা বেলায়েত হোসেন লিটন ৩ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা আয় করেন। একরামুল আজিজের আয় ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। তিনি মাদ্রাসা শিক্ষায় দশম শ্রেণি পাশ। স্বশিক্ষিত রায়হান হোসেন কামালের আয় ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা।

স্বশিক্ষিত শাহজাহান আহমদের কোনো আয় নেই। স্বশিক্ষিত সাব্বির আহমদ চৌধুরীর আয় ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। ১৭নং ওয়ার্ডের ২ প্রার্থীর মধ্যে এইচএসসি পাশ রাশেদ আহমদের আয় ৩ লক্ষ ৩৫ হাজার ৯শ’ টাকা। এসএসসি পাশ দেলোয়ার হোসেন সজীব ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আয় করেন।

১৮নং ওয়ার্ডের ৬ প্রার্থীর মধ্যে এম.কম পাশ এ.বি.এম জিল্লুর রহমানের আয় ১১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৪৩১ টাকা। ২ লাখের উপরে আয় করেন নাজমুল ইসলাম এহিয়া। স্বশিক্ষিত শামছুর রহমান কামালের আয় ২ লক্ষ ৮০ হাজার ৩৩৭ টাকা। ৫ম শ্রেণি পাশ সাজুওয়ান আহমদ ২ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা আয় করেন। স্বশিক্ষিত সালমান চৌধুরীর আয় ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। এইচএসসি পাশ সাজেদ আহমদ চৌধুরী ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা আয় করেন।

১৯নং ওয়ার্ডের ৪ প্রার্থীর মধ্যে বিএসসি পাশ এস.এম শওকত আমীন তৌহিদের আয় ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। স্বশিক্ষিত জমসেদ সিরাজের আয় ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। এইচএসসি পাশ দিনার খান হাসুর আয় ৭ লক্ষ ৭১ হাজার ১৬২ টাকা। এলএলএম পাশ আফজালুর রহমানের কোনো আয় নেই।

২০নং ওয়ার্ডের ২ প্রার্থীর মধ্যে এইচএসসি পাশ আজাদুর রহমান আজাদের আয় ৭ লক্ষ ১১ হাজার টাকা। স্বশিক্ষিত মিঠু তালুকদারের আয় ২ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা। ২১নং ওয়ার্ডের ৫ প্রার্থীর মধ্যে ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া সাহেদুর রহমানের কোনো আয় নেই।

বি.এ পাশ আব্দুর রকিব তুহিনের আয় ৬ লক্ষ ৯২ হাজার ৫৩৩ টাকা। স্বশিক্ষিত গোলাম রহমান চৌধুরী ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা আয় করেন। মাস্টার্স পাশ মুহিব উস সালামের আয় ২ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। স্বশিক্ষিত এনামুল হক ২ লক্ষ টাকা আয় করেন।

২২নং ওয়ার্ডের ৬ প্রার্থীর মধ্যে এসএসসি পাশ ফজলে রাব্বী চৌধুরীর আয় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া আবু জাফর ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা আয় করেন। দিদার হোসেন ২ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা আয় করেন, তিনি এসএসসি পাশ। এসএসসি পাশ ইব্রাহিম খান সাদেকের আয় ৪ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা।

এলএলবি পাশ ছালেহ আহমদ সেলিমের আয় ৭০ হাজার টাকা। সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন এইচএসসি পাশ। তার আয় ৩৫ হাজার টাকা। ২৩নং ওয়ার্ডের ৪ প্রার্থীর মধ্যে ১০ শ্রেণি পড়–য়া হাজী ফারুক আহমদ কৃষি ও বাড়ি ভাড়া মিলিয়ে ২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা আয় করেন।

স্বশিক্ষিত মামুনুর রহমান মামুনের আয় ২ লক্ষ টাক। এসএসসি পাশ মোস্তাক আহমদ ৫ লক্ষ ১৮ হাজার ৭৩৬ টাকা আয় করেন। স্বশিক্ষিত ছাব্বির আহমদের আয় ২ লক্ষ টাকা। ২৪নং ওয়ার্ডের ৩ প্রার্থীর মধ্যে এসএসসি পাশ হুমায়ূন কবির সুহিনের আয় ৪ লক্ষ টাকা। ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া মোহাম্মদ শাহজাহান ২ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা আয় করেন।

৫ম শ্রেণি পাশ সোহেল আহমদ রিপনের আয় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ২৫নং ওয়ার্ডের ৪ প্রার্থীর মধ্যে কফিল উদ্দিন আলমগীর স্বশিক্ষিত। তার আয় ২ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। এসএসসি পাশ আশিক আহমদের আয় ৫০ হাজার টাকা। ৯ম শ্রেণি পড়ুয়া মোফাজ্জুল হোসেন তালুকদারের আয় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা।

এইচএসসি পাশ তাকবির ইসলাম পিন্টু ৫ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা আয় করেন।  ২৬নং ওয়ার্ডের ৬ প্রার্থীর মধ্যে ৮ম শ্রেণি পাশ সেলিম আহমদ রনির আয় ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮শ’ টাকা। রেজাউল করিম মাস্টার্স পাশ। তার আয় ৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৪২০ টাকা। এইচএসসি পাশ মঈন উদ্দিনের আয় ২ লক্ষ টাকা।

স্বশিক্ষিত আব্দুল মান্নান ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আয় করেন। বি.এ পাশ তৌফিক বকস লিপনের আয় ৩ লক্ষ ২৮ হাজার ১৬৭ টাকা। স্বশিক্ষিত খসরু আহমদের আয় ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। ২৭নং ওয়ার্ডের ৪ প্রার্থীর মধ্যে ১০ম শ্রেণি পড়ুয়া আজম খানের আয় ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা।

আব্দুল জলিল নজরুল ৮ম শ্রেণি পাশ। তার মোট আয় ৭ লক্ষ ৭০ হাজার ৫শ’ টাকা। এসএসসি পাশ শাহ মোঃ বদরুজ্জামানের আয় ২ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। এইচএসসি পাশ চঞ্চল উদ্দিন ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা আয় করেন।

সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও সিলেটের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আলীমুজ্জামান সিলেটের ডাককে বলেন, প্রার্থীদের হলফনামা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে দেয়া হয়েছে। প্রার্থীর ব্যাপারে যেকোনো নাগরিক জেনে নিতে পারবেন। হলফনামায় তথ্য গোপনের ব্যাপারে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নেবে।

(Visited 90 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here